
কালবৈশাখীর তেজ বাড়ছে, আমাদের হুঁশ ফিরছে কি
Link Copied Successfully!

কালবৈশাখী চেনা ঝড়। তবে জোড়া কালবৈশাখী, রাতে আঘাত, অতিরিক্ত শক্তি ও বারবার হানা—এসব ঝড়টিকে অচেনা করে তুলছে। ঘটছে মৃত্যুর ঘটনা, বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতি।


বৈশাখে কালবৈশাখী হবে, এটাই প্রকৃতির নিয়ম। ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রপাত ক্যালেন্ডার দেখে চলে না। তার মেজাজ-মর্জি নির্ভর করে তাপ-উত্তাপের ওপর।

ফাল্গুন–চৈত্রেও কালবৈশাখী আগাম জানান দিতে পারে। শীত–বসন্তের শেষে ধেয়ে আসা এই ঝড় সম্পর্কে আবহাওয়াবিদদের ব্যাখ্যা হচ্ছে, গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাগরের আর্দ্র বাতাস স্থলভাগে চলে আসে। সাধারণত তিন ধরনের বাতাস একীভূত হয়ে কালবৈশাখীর সৃষ্টি হয়। সাগরের আর্দ্র বাতাসের সঙ্গে অপেক্ষাকৃত পুবালি বাতাস এবং স্থলভাগের বাতাস একসঙ্গে হলে তা বজ্রমেঘের সৃষ্টি করে। পরে তা চাপ আকারে নিচে নেমে এসে প্রচণ্ড ঝড়ে সবকিছু তছনছ করে দেয়।

তবে কালবৈশাখী জানান দিয়েই আসে। ঈষাণ কোণে (উত্তর-পশ্চিম কোণ) ইশারা দেয় কালবৈশাখী। সেখানে জমা হওয়া কালোমেঘ এই ঝড়ের আভাস
সুত্র:প্রথম আলো



























