
কচুয়ার কাদলায় সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, আহত দুই


কচুয়া উপজেলার ৮ নং কাদলা ইউনিয়নের জোরপূর্বক সম্পত্তি দখলের চেষ্টার ঘটনায় ২ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাটি মঙ্গলবার বিকেলে কাদলা বাজার এলাকায় ঘটে। এ বিষয়ে চাঁদপুর আদালতে সম্পত্তির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বুধবার কচুয়া থানা পুলিশ সরেজমিনে গিয়ে উভয়পক্ষকে স্থিতিঅবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।
হামলায় আহতরা হলেন কাদলা গ্রামের রাশেদ মজুমদার ও দিদার বেপারী।
এছাড়াও হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগী খাদিজা বেগম বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে কাদলা গ্রামের সাইফুল ইসলাম, সিরাজ বেপারী, গাজী মোহাম্মদ আফাজ উদ্দিন, গাজী মোঃ আমির হোসেন, ওমর ফারুক মজুমদারসহ অজ্ঞাত ১৫ জনকে বিবাদী করা হয়।


সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, কাদলা বাজারের দক্ষিণ পাশে প্রায় ১৬ শতাংশ সম্পত্তি একটি স্বার্থান্বেষী মহল ওয়ারিশের একপক্ষ থেকে ক্রয় করে দখলের চেষ্টা করছে। অথচ ওই সম্পত্তির প্রথমত ওয়ারিশ মৃত বেলায়েত হোসেন মজুমদার গংরা।
জানা গেছে, মৃত বেলায়েত হোসেনের ফুফাতো ভাই আব্দুল নুর। তিনি সম্পত্তি বন্টন না হওয়া সত্ত্বেও একটি স্বার্থন্বেষী মহলের কাছে বিক্রি করেছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। খবর পেয়ে আমরা সম্পত্তি রক্ষার্থে আদালতের শরণাপন্ন হই। পরে চাঁদপুর আদালত কাদলা বাজার এলাকার ওই সম্পত্তির উপর নিষেধাজ্ঞা অর্পণ করেন।
অভিযোগের বাদী খাদিজা মজুমদার বলেন, রাতের আঁধারে একটি মহল ওই সম্পত্তির উপর ঘর উত্তোলন করেন। খবর পেয়ে আমরা আমাদের সম্পত্তি রক্ষার চেষ্টা করেছি। আমরা আদালত এবং পুলিশ প্রশাসনের শরণাপন্ন হয়ে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সম্পত্তি রক্ষা করতে চাই।
অন্যদিকে অভিযোগে অভিযুক্তদের মধ্যে ওমর ফারুক মজুমদার বলেন, তারা ওয়ারিশ এর কাছ থেকে সম্পত্তি ক্রয় করেন। সম্পত্তিতে আদালতের নির্দেশনা থাকায় আমরা দখলে গিয়েছি। বুধবার পুলিশ এসে আমাদেরকে ও সম্পত্তির স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কচুয়া থানার এসআই মোঃ জাহাঙ্গীর বলেন, চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালে কাদলা বাজারের ঐ সম্পত্তির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। বুধবার প্রথম পক্ষ ও দ্বিতীয় পক্ষকে তফসিল অনুযায়ী সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত স্থিতিঅবস্থা এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। পপুলার বিডিনিউজ, কচুয়া, চাঁদপুর।




























