
চাঁদপুরে কলা পাকাতে মিশানো হচ্ছে বিষাক্ত কেমিক্যাল
Link Copied Successfully!

চাঁদপুরে কলা পাকাতে বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশানো হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন কলা পাকানোর কাজে যেসব বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশানো হচ্ছে তা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ঝুকিপুর্ণ। কেমিক্যাল মিশ্রিত কলা খেয়ে জীবনহানির সম্ভাবনাও বেশি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মতলব উপজেলার কালির বাজার, দূর্গাপুর, সাহেব বাজার, কালিপুর বাজার, নতুন বাজার, সাহেব বাজার, সুজাতপুর বাজার, পৌরসভার ছেংগারচর বাজারসহ বিভিন্ন হাট বাজারে যেসব কলা বিক্রি করা হচ্ছে তার শতভাগ কলাই বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে কলা পাঁকানো ও রং সুন্দর করতে ব্যবসায়ীরা এ বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশিয়ে থাকেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কলার বেপারী বলেন, তাঁরা দ্রুত কলা পাকানোর কৌশল হিসেবে বাগান থেকে কলা কেনার পর কলায় প্রমোট ও রিপেনসহ নানা ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করে থাকেন। ওই কেমিক্যাল মিশ্রিত কলা দুই-এক দিনের মধ্যেই নরম ও হলদে রং ধারণ করে খাবার উপযোগী হয়। যা তাদের বিক্রি করতে সহজ হয়।
জানতে চাইলে ছেংগারচর বাজারের কলা ব্যবসায়ী রহমত উল্লাহ কেমিক্যাল মিশানোর বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, বাগান থেকে কলা কাটার পর আমরা কিনে নিয়ে আসি। এরপর দোকানের ভেতর বালতি বা ড্রামের মধ্যে পানির সাথে ওই কলা ধুয়ে ধুলোবালি মুক্ত করি। কোন কেমিক্যাল দেওয়া হয় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছেংগারচর বাজারের এক খুচরা কলা বিক্রেতা জানান, বেপারীরা কলায় কি মিশান তা তারা জানেন না। বেপারীদের কাছ থেকে কিনে আনেন, আর বাজারে দোকানে সাজিয়ে তা খুচরা গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করেন।
মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের (আরএমও) ডা. হাসিবুর রহমান বলেন, বিষাক্ত এসব দাহ্য পদার্থ মিশানো কলা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। খাওয়ার সাথে সাথে ডাইরিয়া হওয়ার সম্ভনা বেশি থাকে। কেমিক্যাল মিশ্রিত কোন খাদ্য গ্রহণ করলে তার প্রভাব পড়ে লিভার এবং কিডনীর উপর। ওইসব খাদ্য গ্রহণের পর তা দাহ্যে পরিণত হওয়ার পর নিঃসরণ ঘটে লিভার এবং কিডনীর মাধ্যমে। ফলে কেমিক্যাল মিশানো খাদ্য শরীরের এই দুটি অংশের উপর প্রভাব ফেললেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কিডনীকেই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে।








