
কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চাঁদপুরে লালপতাকার মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
Link Copied Successfully!

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা কমিটির আয়োজনে লালপতাকার মিছিল ও আলোচনা সভা ৮ মার্চ, শুক্রবার, বিকাল ৩ টায় শহরস্হ সাহিত্য একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের জেলা সভাপতি কমরেড জাকির হোসেন মিয়াজীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড জাহাঙ্গীর হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিটির সদস্য কমরেড জহির উদ্দিন বাবর, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দুলাল চন্দ্র দাস, ফরিদগঞ্জ শাখার নেতা ও প্রবীণ কমিউনিস্ট কমরেড মো. আলী আক্কাছ, চাঁদপুর শহর শাখার সম্পাদক কমরেড রনজিত সরকার, শিক্ষক শাখার সদস্য কমরেড বিলাল হোসেন, কমরেড দুলাল গোস্বামী, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সজীব অধিকারী স্বাগত ও সাবেক সহ-সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন।
সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি জন্মলগ্ন থেকেই অত্যাচার-নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আসছে। শ্রমিক-মেহনতী মানুষের ন্যায্য পাওনার জন্য আমৃত্যু সংগ্রাম করছে। যেখানেই অন্যায়-অবিচার সেখানেই কমিউনিস্ট পার্টি তার বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম জারি রাখছে।
শুধু কি তাই, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য শক্ত ভূমিকা রেখেছিলো কমিউনিস্ট পার্টি। যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মানুষ মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলো সাধারণ মানুষ তা কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে-সেটাই জনগণের কাছে প্রশ্ন রেখে দিলাম।
স্বাধীনতার পর ৫২ বছর যারা দেশের মানুষকে শাসন-শোষণ করে আসছেন তারাই দেশের উৎপাদিকা শক্তির মালিক। তাই পুঁজিবাদী তথা ধনবাদী সমাজে উৎপাদিত পণ্যের মালিকও তারা। শ্রমিক শ্রেণি যতই শ্রম-ঘাম ঝরাকনা কেন তাদের ন্যায্য পাওনা কখনই পায়নি। এতে করে জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া। গরীব মানুষ কেন নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষেরও ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে নিত্যপণ্য। তাই কমিউনিস্ট পার্টি শ্রমিক-মেহনতীদের ন্যায্য পাওনার জন্যই সংগ্রাম অব্যাহত রাখছে।
বক্তারা আরও বলেন, যারা দেশের টাকা লুট করে বিত্ত-বৈভবের মালিক হয়েছেন তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে সরকারি কোষাগারে নেয়া হোক। সে সম্পদ নিরন্ন-অসহায় মানুষের মাঝে বণ্টন করা হোক। এ নীতি বাস্তবায়ন করতে হলে অবশ্যই কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিতে হবে এবং পার্টিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।








