
শীতের তীব্রতায় পুরাতন কাপড়ে ঝুঁকছে নিম্ন আয়ের মানুষ
Link Copied Successfully!

শীতের তীব্রতা বেড়েছে সারাদেশে। মতলব উত্তর উপজেলা ও আশেপাশের অঞ্চলে শীতের আগমনী বার্তা অগ্রহায়ণের শেষ থেকেই বইছে। পৌষের শুরু থেকে বাড়তে শুরু করেছে শীতের তীব্রতা। গত কয়েকদিন আগের বৃষ্টি সেই তীব্রতা আরও বাড়িয়েছে। ফলে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গরম পোশাকের কেনা-বেচা। তবে নতুন কাপড়ের বিক্রেতারা গত বছর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দাম হাঁকাচ্ছেন বলে জানা গেছে। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষের অনেকটা বাধ্য হয়েই ক্রয় করতে হচ্ছে পুরোনো শীতের কাপড়। পুরোনো কাপড়েই শীতকে বরণ করে নিচ্ছেন তারা। ক্রেতা ও বিক্রেতার পদচারণা ও দর কষাকষিতে জমজমাট পুরনো কাপড়ের দোকান।
বুধবার মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর বাজার, নতুন বাজার, কালিপুর বাজার ও সুজাতপুর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এসব চিত্র। দোকানগুলোতে বেশি বিক্রি হচ্ছে শিশু ও বয়স্কদের শীতের পোশাক। বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদা থাকায় মাঘের শেষ পর্যন্ত বিক্রি চলবে।
পুরনো কাপড়ের দোকানে আসা তাইজুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, শীতের পোশাক কিনতে আমি দোকানে গিয়েছিলাম।
কিন্তু, সেখানে যে দাম, তা আমার নাগালের বাইরে। তাই আমি রাস্তার পাশের পুরোনো কাপড়ের দোকান থেকে একটি জ্যাকেট কিনতে এসেছি। এদিকে ছেংগারচর বাজারে বসেছে কয়েকটি পুরোনো শীতবস্ত্রের দোকান। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে এসব দোকানে বেচা-কেনা। সাধ্যের মধ্যে পছন্দের শীতবস্ত্র পেতে এসব দোকানগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারাও। যেখানে আছেন মধ্যবিত্ত থেকে নিম্ন বিত্ত মানুষজন। থানা রোড সংলগ্ন ফুটপাতের এমনই এক পুরোনো শীতবস্ত্রের দোকানদার শাহাজান। তিনি গত ১৬ বছর ধরে শীতের মৌসুমে এ পুরনো শীত বস্ত্র বিক্রি করছেন। যার আয় থেকে চালাচ্ছেন সংসার। শীতবস্ত্র বিক্রেতা শাহাজান বলেন, প্রতি বছরের শীতের মৌসুমে চট্টগ্রাম থেকে পুরোনো শীতের পোশাক এনে বিক্রি করি। শীতের প্রথম থেকেই এবারও শুরু করেছি এসব শীত বস্ত্র বিক্রি।








