
চাঁদপুরে মাছঘাটে ইলিশ কম, দাম বেশি
Link Copied Successfully!

ক্রেতাদের কাছে ইলিশের চাহিদা থাকে সব সময়ই। উৎসব কিংবা ঘরোয়া আয়োজনে ইলিশের চাহিদা সবার আগে। গত বছর থেকে দেশের অন্যতম মৎস্য আড়ত চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। ইলিশ সংকটে দাম বেশি থাকায় ফিরে যাচ্ছেন ক্রেতারা। যদিও কিছু ইলিশ নিয়ে বসে অলস সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা। দাম নাগালের মধ্যে না আসায় এই বছর ক্রেতাদের সাড়া পাচ্ছে না মাছ ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, দিন দিন ইলিশের সরবরাহ কমে আসছে৷ গত বছর এই সময়ে যা ইলিশ ছিল, এবার তাও নেই। বিশেষ করে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশের আকাল একেবারেই। গত ২-৩ বছর স্থানীয় ইলিশ কম আসছে ঘাটে। আর এবার দক্ষিণাঞ্চলের ইলিশও ঘাটে আসছে না। যার কারণে চাঁদপুর ঘাটে ইলিশ কম।
বড়স্টেশন মাছঘাটে ক্রেতা পারভেজ জানান, ইলিশের দাম বেশি হওয়ায় ৬ কেজির যায়গায় ৪ কেজি ইলিশ কিনেছি। এখন মাছঘাটে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। যা কিছু আছে তাও দাম বেশি। মনে হয় না আর দাম কমবে। আমাদের কাছ থেকে ইলিশ খাওয়ার সক্ষমতা উঠে যাচ্ছে।
ইলিশ ব্যবসায়ী নবির হোসেন বলেন, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও বড়স্টেশন মাছঘাটে তেমন ইলিশ আসে না। জেলেদের জালে ইলিশ কম উঠছে। জেলেরা চাহিদানুযায়ী ইলিশ পেলে তারপর দাম কমতে পারে। বর্তামানে এক কেজি ইলিশ ১৪শ থেকে ১৫শ টাকা, আর দুই কেজি ওজনের ইলিশ ২৫-২৬শ টাকা। এছাড়া একেবারে ছোট আকারের ইলিশ (৫০০-৬০০ গ্রাম) ৭০০-৮০০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে।
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবে বরাত সরকার বলেন, এখন মাছঘাটে ৮০ থেকে ১০০ মণ ইলিশ সরবরাহ হচ্ছে। অন্যবছর এই সময়ে ইলিশের সরবরাহ ছিল এক হাজার মণ। এখন আর সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা নেই। মাছ কম, চাহিদা বেশি তাই দামও বেশি। বর্তমানে ইলিশের পাশাপাশি পাঙ্গাশ মাছের বেশ চাহিদা রয়েছে। এখনকার বাজারে ৭০০-৭৫০ টাকা কেজি পাঙ্গাশের দাম।








