
দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালালেন ব্যাংক কর্মকর্তা


প্রথম স্ত্রী’কে ডিভোর্স দিয়ে বিয়ে করেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকাকে। ওই শিক্ষিকাকে রেখেই এবার প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডাচ বাংলা বুথের শাহরাস্তি কালিবাড়ি শাখার ব্যাংক কর্মকর্তা মকবুল হোসেনের বিরুদ্ধে।
মকবুল আহমেদ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড মাস্টার বাড়ির মোবারক মাস্টার ওরফে মিনহাজ মাস্টারের ছেলে।
ভুক্তভোগী হেলাল শাহরাস্তি উপজেলার শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। ১২ বছর হলো কচুয়া উপজেলার সহদেবপুর গ্রামের মৃত আলী আকবরের মেয়ে আকলিমার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।


ভুক্তভোগী হেলাল জানান, দীর্ঘ ৯ বছর পর গেল ২৩ সেপ্টেম্বর প্রবাস থেকে দেশে আসেন হেলাল। সেখান থেকে তিনি শশুরালয়ে যান। স্বামীর সাথে আসতে নাখোশ করেন। পরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে ২৮ সেপ্টেম্বর শশুরালয়ে গিয়ে মীমাংসার আশ্বাস দেন। তবে সেখানে গিয়ে আর আকলিমা বেগমকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পাঁচ জনকে বিবাদী করে কচুয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন হেলাল।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, স্বর্ণালংকার, দীর্ঘ সময়ের প্রবাস জীবনে আয় করা অর্থ নিয়ে পালিয়েছে আকলিমা বেগম। পরে এক পর্যায়ে স্ত্রী আকলিমা বেগম ব্যাংক কর্মকর্তা মুকবুলের সাথে পালিয়েছেন বলে তথ্য প্রমাণ মিলে।
কথা হয় মকবুলের দ্বিতীয় স্ত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শারমিন আক্তারের সাথে, তবে তিনি কোন তথ্য দিতে রাজি না হলেও এক পর্যায়ে বিষয়টি জানেন বলে স্বীকার করেন তিনি। পরে নিজেকেও ভুক্তভোগী বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে কথা হয় মকবুলের ভগ্নিপতি হারুনের সাথে, তিনি জানেন হেলালের সাথে কথা হয়েছে। হেলালকে থানায় মামলা দেওয়ার কথা বলেছি বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।
এদিকে আকলিমা বেগমের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তারা গত কয়েকদিন হাজীগঞ্জ স্টেশন রোড সংলগ্নে একটি বাসা ভাড়া থাকতেন। বিষয়টি জানাজানির পর সেখান থেকেও আকলিমা লাপাত্তা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মকবুলের বাড়ীতে গিয়ে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
জানতে চাইলে ডাচ বাংলা ব্যাংক চাঁদপুর ব্রাঞ্চ এর ম্যানেজার জহিরুল হক জানান, তার একাধিক বিয়ের খবর জেনেছি। তবে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। আইনগতভাবে সে দ্বিতীয় বিয়ে করেছে বলে স্বীকার করেছে।


























