
চার স্তরে চলছে তদন্ত কাজ : জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটজন আটক


চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার একটি বাড়ি থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক প্রৌঢ় দম্পতির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে নিহত দম্পতির মেয়ে রীনা রানী বর্মণ বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেছেন। ওসি আবদুর রশিদ পপুলার বিডিনিউজকে এ তথ্য জানান।
হত্যার বিষয়ে পুলিশের পৃথক চারটি দল আজ শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁদের তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। পুলিশ সুপার এক সংবাদমাধ্যমকে জানান, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও সিআইডি পুলিশের মোট চারটি দল পৃথকভাবে কাজ করছে। এসব তদন্ত দল বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছে। তবে এখন পর্যন্ত এর কোনো রহস্য উদ্ঘাটন বা হত্যার কারণ জানা যায়নি।
পিবিআই চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আমরাও এখনো এর কোনো রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারিনি। তবে আমাদের তদন্ত অব্যাহত আছে। তবে এটি কোনো পরিকল্পিত হত্যা নাকি চুরির উদ্দেশ্যে ঘটেছে, সেই বিষয় ধরে আমরা এগোচ্ছি।’


শুক্রবার উপজেলার বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নে একটি বাড়ি থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ওই দম্পতির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শুক্রবার সকাল আটটায় স্থানীয় এক নারী ফুল তুলতে গিয়ে ঘরের দরজা খোলা দেখেন। পরে তিনি ঘরের ভেতর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
নিহত দুজন হলেন বড়কুল ইউনিয়নের দাসপাড়া এলাকার উত্তম বর্মণ (৬২) ও তাঁর স্ত্রী কাজলী রানী বর্মণ (৫৫)। তাঁরা একই এলাকার দুলাল দাসের বাড়ির পাহারাদার হিসেবে বসবাস করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বালিশচাপা দিয়ে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে।


























