
মতলব উত্তরে মুক্তিপল্লী গ্রামে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে মা ইলিশ
Link Copied Successfully!

সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধকালীন সময় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছাড়াই মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের মুক্তিপল্লী গ্রামে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে মা ইলিশ।
জেলেরা প্রকাশ্যে নদীতে নৌকা নিয়ে মা ইলিশ মাছ ধরে আনে। আর এই মা ইলিশ গুলো বিক্রি হচ্ছে নদী সংলগ্ন মুক্তিপল্লী গ্রামে। জমজমাট এক বাজার। ক্রেতাদের মাঝে মা ইলিশ ক্রয় করার এক প্রতিযোগীতা চলে। ছয় জন আড়ৎদার তারাই জেলেদের নদীতে নামায়। তাদের নেতৃত্বেই লালপুর ঘাট দিয়ে জেলেরা নদীতে মা ইলিশ শিকার করে।
এই ছয় জন অসাধু আড়ৎদারা হলো উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের দক্ষিণ রামপুর গ্রামের দেলোয়ার বেপারীর ছেলে মিঠুন বেপারী, মুক্তিপল্লী গ্রামের শামসুল দেওয়ান, বালুচর গ্রামের দুলাল দেওয়ান, নজু বকাউল ও মনির হোসেন।
সরকার জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা জন্য ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর ২২ দিন ইলিশ ধরা ও ক্রয় বিক্রয় নিষিদ্ধ করেছে। এই সময় মা ইলিশ গুলো স্বাদু পানিতে এসে ডিম ছাড়ে। আর এই সুযোগেই কিছু অসাধু আড়ৎদারা জেলেদের দিয়ে মা ইলিশ শিকার করে ।
জানা যায়, ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের মুক্তিপল্লী গ্রামে নিষিদ্ধ কালীন সময় প্রতিদিন ভোর ৪টা ৩০ টা থেকে সকাল ৭টা ৩০ টা পর্যন্ত জেলেদের শত শত নৌকা তীরে এসে ডাকের মাধ্যমে মা ইলিশ বিক্রি করে।
২২ অক্টোবর ভোরে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় শতশত নারী পুরুষের মাছ ক্রয় করছে। ১ কেজি সাইজের ১ হালি মা ইলিশ ৩ হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার, ২ কেজি সাইজের ১ হালি ৬ হাজার টাকা। কোন ক্রেতা মাছ ক্রয় করলে দিতে হয় শতকরা ১০ টাকা আড়ৎদারকে।
জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় নেই কোন প্রশাসনের কর্ম তৎপরতা, নেই কোন প্রশাসনিক উদ্যোগ।








