
হাজীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম হাটিলা গ্রাম
৩৮ শতাংশ সম্পত্তি কার? স্বাক্ষীর নাকি ক্রেতার?
পশ্চিম হাটিলা গ্রামের ফসলী মাঠ। -- পপুলার বিডিনিউজ 
হাজীগঞ্জ উপজেলার ৮নং হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম হাটিলা গ্রামের কংগাইশ মৌজার ৩৮ শতাংশ সম্পত্তি নিয়ে চলছে টানাটানি। এ বিষয়ে সম্পত্তির ক্রেতা ইব্রাহীম খান গংরা বাদী হয়ে চাঁদপুর সিনিয়র জজ আদালতে খতিয়ানের নাম সংশোধনীর আবেদন করেন। এদিকে ওই ক্রেতার দলিলের স্বাক্ষীদাতা তাফাজ্জল হক তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি দাবী করে আদালতে ব্যাখা দিয়েছেন।
সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ১৯৯২ সালে ইব্রাহীম খান গংরা তাফাজ্জল হকের ভাই আবদুল মান্নান ও শুক্কুর আলমের কাছ থেকে ৩৮ শতাংশ সম্পত্তি খরিদ করেন। বর্মানে ইব্রাহীম গংদের দখলে রয়েছে ওই সম্পত্তি। হঠাৎ বিএসয়ের মধ্যে তাফাজ্জল হকের নাম দেখে আদালতের স্বরণাপন্ন হন ইব্রাহীম খান গংরা।
বিক্রেতা আবদুল মান্নান মারা গেছেন। রয়েছে আরেক বিক্রেতা শুক্কুর আলম। তিনি মুঠোফোনে জানান, পৈত্রিক সম্পত্তি ১৯৯২ সালে দুই ভাই মিলে ইব্রাহিম খান গংদের কাছে বিক্রি করেছি। ওই সম্পত্তি তাফাজ্জল হককে দেয়া হয়নি। কারণ তাদের বিক্রির আগেই তাফাজ্জল হককে বাদ দিয়ে পৈত্রিকভাবে তারা মালিকানা পেয়েছেন।


জানতে চাইলে তাফাজ্জল হক বলেন, ৩৮ শতাংশ সম্পত্তি তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। সেখান থেকে ২১ শতাংশ তার নামে রেকর্ করেছেন বলে দাবী করেন। তাদের ওই ভাইয়ের বিক্রি বৈধ ছিল না। এমন কি ৩৮ শতাংশ সম্পত্তি বিক্রির সময় তিনি স্বাক্ষীও ছিলেন না বলেন দাবী করেন।
তাহলে তাফাজ্জল হকের স্বাক্ষর কার? আদালতে তাফাজ্জল হক ৩৮ শতাংশের বিষয় ব্যাখা দিলেও মুখে বলছেন ২১ শতাংশ তার নামে। এমন দোলাচলের কথা ও কর্কান্ডে বিপাকে ইব্রাহীম খান গংরা। ৩৮ শতাংশ সম্পত্তি তাহলে কার? সংশ্লিষ্ট আদালতের মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধান হোক এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর। পপুলার বিডিনিউজ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর








