
ডোবা থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ
চারদিন আগে পরিচয় দেয়া শরীফের লাশ মিলল মাড়কি গ্রামের ডোবায়
মৃত ব্যাক্তির চারদিন আগের ও পরের ছবি। -- পপুলার বিডিনিউজ 
কে এই শরিফ? কখনও তারাপাল্লা, কখনও চৌমুহনী, কখনও মাড়কি! পাশ্ববর্তী গ্রামের রুবেলের সাথে শেষ দেখা গেলো বুধবার বিকেলে। বুধবার বিকালে মাড়কী গ্রামের খাস বাড়ির পরিত্যক্ত ডোবায় মিলল সেই যুবকের নিথর দেহ। পুলিশ তার মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ জোবাইর সৈয়দ।
গেলো রবিবার ৩নং কালচোঁ ইউনিয়নের তারাপাল্লা গ্রামে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক কাজী রুবেলের ফেইসবুক আইডিতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তার নাম বলেছিলো শরিফ, বাসা ডেমড়া, মায়ের নাম আলেয়া, ভাইয়ের নাম আরিফ, রাকিব। বাবার নাম জিজ্ঞেস করতে ক্ষনিকের জন্য নিস্তব্ধ সে, অপারগতা শিকার করেন বাবার নাম বলতে।
গেলো সপ্তাহ খানেক তাকে দেখা গেছে উপজেলার কয়েকটি জায়গায়। স্থানীয়দের ধারণা মানুষিক ভারসাম্যহীন এই শরিফ।
গেলো সোমবারের পর তাকে আর দেখা যায়নি কোথায়ও। শেষ দেখা মিলেছে উপজেলার মাড়কি গ্রামের খাস বাড়ির পরিত্যক্ত ডোবায়।


শরিফর সাথে গেলো সোমবার জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক কাজী রুবেলের শেষ দেখা হয় কচুয়া উপজেলার চৌমুহনী বাজারে। এর পর আর কেউ দেখেনি এই শরীফকে।
৩নং কালচোঁ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মানিক প্রধানীয়া বলেন, মৃতদেহ ব্যক্তি তার ইউনিয়নের নয়। তবে তাকে কয়েক দিন ধরে দেখেছেন।
খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দ ও তদন্ত ওসি মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। তবে, তার সঠিক ঠিকানা খুঁজতে ও মৃত্যু কারণ বের করতে কাজ করছে পুলিশ।
পপুলার বিডিনিউজ, হাজীগঞ্জ , চাঁদপুর


























