
মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতি না পেয়েই চলে গেলেন কপিল উদ্দিন: বাবার অপূরণীয় স্বপ্ন পূরণ হবে সন্তানদের প্রত্যাশা


কপিল উদ্দিন চলে গেলেন না ফেরার দেশে। আক্ষেপ রয়ে গেল দেশের জন্য যুদ্ধ করেও মেলেনি স্বীকৃতি। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জন্য ঘুরেছেন দ্বারে দ্বারে। তার সন্তানদের দৃঢ় বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করলে পরপারে কপিল উদ্দিনের আত্মা শান্তি পাবে।
কপিল উদ্দিন হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৩নং খাটরা-বিলওয়াই হাজী বাড়ীর বাসিন্দা ছিলেন। তার পরিবারে স্ত্রী, তিম মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি তিনি দুরারগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। মরহুমের মৃত্যুর চারদিন পর পারিবারিকভাবে দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করে। দোয়া ও মোনাজাতে কপিল উদ্দিনের জন্য আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।
https://youtu.be/BEVnMTv0FS0


পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কপিল উদ্দিন ১৯৭১ সালে ভারত থেকে ট্রেনিং করে ২নং সেক্টর কমান্ডারের অধীনে যুদ্ধ করেন। তাঁর সাথে সবাই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত হন। তৎকালীন সময়ে তিনি কর্মের তাগিদে প্রবাসে ছিলেন। তারপরও তিনি বিদেশ থেকে এসে তৎকালীন সময়ে প্রয়াত মজনু কমান্ডারের কাছে সকল কাগজপত্র জমা দেন। কিন্তু ভাগ্যর নির্মম পরিহাস মজনু কমান্ডার মারা যাওয়ায় খোঁজ মেলেনি সেই কাগজপত্রেরও।
প্রয়াত কপিল উদ্দিনের মেয়ে ও পুত্রবধু বলেন, বাবা জীবিত থাকা অবস্থায় অনেক আক্ষেপ করে গেছেন। মুক্তিযোদ্ধা সার্টির্ফিকেটের জন্য মুক্তিযোদ্ধা অফিসে গিয়ে জামুকা আবেদন করে গেছেন। বর্তমানে আপিল শুনানি চলমান রয়েছে বলে জানান তারা।
কপিল উদ্দিনের ভাই পপুলার বিডিনিউজকে বলেন, ভাইয়ের সাথে সবাই গেজেটভুক্ত হয়েছে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের সার্টির্ফিকেটের জন্য একটা আকাংখা ছিল।
দেশের জন্য যুদ্ধ করে স্বীকৃতি না পাওয়ার বেদনার যন্ত্রণায় ভুগছেন কপিল উদ্দিনের পুরো পরিবার। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যেসকল কাগজপত্র রয়েছে, সেইসব বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মৃত কপিল উদ্দিনের অপূরণীয় স্বপ্ন পূরণ করবে বলে প্রত্যাশা পরিবারের । পপুলার বিডিনিউজ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর
https://youtu.be/BEVnMTv0FS0


























