
ওয়াকওয়ের নির্মাণ হলে শত বছর পরের প্রজন্ম স্বাক্ষী থাকবে: রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম


শাহরাস্তি উপজেলার ছিখটিয়া ব্রীজ হতে সূচিপাড়া ব্রীজ পর্যন্ত ডাকাতিয়া নদীর উত্তর পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন, নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি।
শনিবার সকালে শাহরাস্তি পৌরসভার সূচীপাড়ায় ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিরীন আক্তারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁদপুর- ৫ আসনের এমপি মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপি।
তিনি বলেন, ডাকাতিয়ার উপরে এ পর্যন্ত ৯টি ব্রীজ করে দিয়েছি। নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসাবে এ ডাকাতিয়া নদীকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়েছি। প্রতিবছর সরকার ২ হাজার কোটি টাকা খননকৃত কাজে ব্যয় করছে।
এ প্রকল্পে প্রায় ১৩ একর জমি অধিগ্রহণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২ কোটি টাকা। ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ হলে দূর দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীরা ঘুরতে আসবে। এ উপজেলার সুনাম ও পরিচিতি চাঁদপুর তথা দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়বে। ১০ ফিট ছড়া, ৩০ ফিট প্রস্থ, বিশাল পরিসরে এ ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে।


তিনি আরো বলেন, ওয়াকওয়ের নির্মাণ আজ থেকে শত বছর পরের প্রজন্ম পর্যন্ত মনে রাখবে বলে আমার বিশ্বাস। নদীর তীরবর্তী মানুষ যেন নদীর পানিকে কোন ভাবে দূষণ করতে না পারে সে দিকে সবার খেয়াল রাখতে হবে। এই ওয়াকওয়ে গরীব অসহায়দের জন্য সম্পূর্ণভাবে ফ্রী করা হবে। এছাড়াও তিনি মনে করে বিভিন্ন দেশ থেকেও পর্যটক আসবে এখানের সৌন্দর্য দেখার জন্য।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোমেনা আক্তার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কচুয়া সার্কেল আবুল কালাম চৌধুরী, শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসরিন জাহান শেফালী, শাহরাস্তি পৌরসভার মেয়র হাজী আব্দুল লতিফ, চাঁদপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার আতিকুজ্জামান চৌধুরী, সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মোবারক হোসেন সরকার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. মান্নান।
ওইসময় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


























