
হাজীগঞ্জে লকডাউন বাস্তবায়নে জরিমানা


কঠোরভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর থাকার পরেও জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছেন সাধারণ মানুষ বাজার, ওষুধ কেনাসহ নানা অজুহাতে বাহিরে আসছেন। মিথ্যা অজুহাতে বাহিরে আসায় অনেকের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে।
সোমাবার সন্ধ্যায় হাজীগঞ্জ বাজারে ম্যাজিষ্ট্রেট এনামুল হাসান বিজিবি সদস্যদেরকে নিয়ে কঠোরতম লকডাউন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করেছেন। ওইসময় সড়কের দু’পাশে থাকা পন্যবাহী ভ্যানগুলো সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন। এবং বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অযথা বাসা থেকে বের হওয়ার পথচারীদের গতিরোধ করে দেন। যারা বের হওয়ার সুনিদ্রিষ্ট কোন কারন দেখাতে পারেন নি তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করেন। সর্বমোট ৫ মামলায় ১০হাজার ৬’শ টাকা জরিমানা করা হয়।
গত ২৩ জুলাই থেকে ঘোষিত লকডাউনের প্রথম দিনে হাজীগঞ্জে কঠোরভাবে পালন হলেও এরপর থেকে যত সময় গড়িয়েছে ততটায় লকডাউনের মধ্যে সাধারণ মানুষের ভিড় বেড়েছে বাজারে। বিভিন্ন অজুহাতে বাজারে প্রবেশ করে ঘন্টার পর ঘন্টা অবস্থান করছে। ফলাফল হিসেবে উপজেলায় করোনা ভাইরাসের দাপট কমেনি। জুলাই মাসে প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত হয়ে ও করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।


এদিকে জেলায় করোনার প্রকোপ ঠেকাতে ও মানুষকে ঘরে রাখতে কাজ করে যাচ্ছে প্রশাসন ও দায়িত্ব পালন কারী আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। করোনা সংক্রমণ, মৃত্যু, প্রশাসনের অভিযান, জরিমানা, বিভিন্ন বাহিনীর সচেতনতা কার্যক্রম কোন কিছুতেই মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না। নানা কারনে মানুষ ঘরের বাইরে আসছে।
মানুষের অসচেতনায় ও বেপরোয়া মনোভাবের কারণে কঠোর বিধিনিষেধ যেমন কঠোর করা যাচ্ছে না তেমনি কমনো যাচ্ছে না করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্তের হার। তবে মানুষের মাঝে আগের তুলনায় মাস্ক ব্যবহারের হার বেড়েছে।
লকডাউনের প্রথম দিন থেকে হাজীগঞ্জে কঠোর বিধিনিষেধ পালনে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহীনি, বিজিবি মাঠে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
এদিকে হাজীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী অফিসার মোমেনা আক্তার জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় উপজেলায় প্রতিদিনই ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সরকারী বিধি নিষেধ কার্যকরে আইন অমান্য ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা প্রদান করা হচ্ছে।
লকডাউন কঠোর করার পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ৩৩৩ এর মাধ্যমে উপকারভোগিদের কাছে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন।


























