
৯টি পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে হাজীগঞ্জের ইউএনওর সফল প্রচেস্টা


হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তারসহ প্রসাশনের সংশ্লিষ্টদের সফল প্রচেস্টায় ৯ পরিবারের মুখে ফুটলো হাসি।
যে মানুষগুলো রোদ,বৃষ্টি/ ঝড় মাথায় নিয়ে আশ্রয়হীন অবস্থায় কোন রকম দিন কাটাত।সে মানুষগুলো আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে নিজেদের মালিকানার ঘরে বাস করছে,যেখানে রয়েছে বিদ্যুৎ এবং সুপেয় পানির ব্যবস্থা।
এমন একটি ঘরে বসে স্বপ্ন বুনতে সারথী হিসেবে কাজ করতে এ উপজেলায় আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন মেজর ( অবসরপ্রাপ্ত) রফিকুল ইসলাম, বীরউত্তম,মাননীয় সংসদ সদস্য, চাঁদপুর – ০৫ মহোদয় এবং প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান করেছেন মান্যবর জেলা প্রশাসক, চাঁদপুর জনাব অঞ্জনা খান মজলিশ মহোদয়। টীমের প্রতিটি সদস্য এই কাজটি করেছি মন থেকে ভালবেসে, সততা এবং স্বচ্ছতার সাথে।



ঘর করতে গিয়ে খাস জমি নির্বাচন, ঘর নির্মান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মালিকানার দলিলাদি হস্তান্তর পর্যন্ত এই মহতী কাজের প্রতিটি পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রয়াসের ফলেই এই ০৯ টি পরিবারের মুখে আজ আমরা হাসি ফুটাতে সক্ষম হয়েছি।
এ ক্লান্তিহীন যাত্রায় সব বাঁধা পেরিয়ে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনের পবিত্র দায়িত্ব পালনে আমরা বদ্ধ পরিকর। জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ এবং গনমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতায় আমরা যত্নের সাথে, সতর্কতার সাথে, সততা এবং স্বচ্ছতার সাথে পরবর্তী কাজগুলোও করে যাব ইনশাআল্লাহ।
নির্বাহী কর্মকর্তার ফেইসবুকে জানান, “মুজিববর্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অঙ্গীকার “বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবেনা” সে প্রেক্ষিতে দেশব্যাপি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনের ধারাবাহিকতায় করোনা মহামারীর সময় সকল বাঁধা উপেক্ষা করে প্রাক্কলন ও ডিজাইন মোতাবেক বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে শতভাগ দরদ দিয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলায় ১ ম পর্যায়ে ( বরাদ্দ ঘর প্রতি ১,৭১,০০০ টাকা) ০৫ টি এবং ২য় পর্যায়ে (বরাদ্দ ঘর প্রতি ১,৯০০০০ টাকা)০৪ টি ঘর নির্মিত হয়েছে। গ্রোথ সেন্টার থেকে নিকটতম স্থানে যাতায়াতের সুবিধা আছে এমন ২ শতক জমিতে নির্মিত ইটের প্রতিটি ঘরে রয়েছে বারান্দাসহ ২ টি কক্ষ,১ টি রান্না ঘর,১ টি টয়লেট ও ১ টি ইউটিলিটি রুমের ব্যবস্থা।
H/N


























