
হাজীগঞ্জে মাস্কের ব্যবহারে নেই সচেতনতা, অভিযান অব্যাহত


করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে বৃহস্পতিবার থেকে ৭ জুলাই বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ আরোপ করেছে সরকার।
কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে রয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সহ সেনাবাহিনী,বিজিবি, পুলিশ সদস্যরাসহ হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ।
লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও কঠোর অবস্থানে ছিলেন হাজীগঞ্জ উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন।


শুক্রবার ভোর থেকে হাজীগঞ্জে বিভিন্ন প্রবেশপথে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।
কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও হাজীগঞ্জে রাস্তাঘাটে মানুষ বের হলেই আইনশৃংখলা বাহিনীর প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে।
সকাল থেকে হাজীগঞ্জে ছিলো যানবাহন শূন্য। সড়কে মানুষ ও ব্যক্তিগত গাড়ির উপস্থিতি কম। অন্যদিকে রিকশা ছিল ব্যাপক। তবে প্রায় ৩০ ভাগ মানুষ মাস্কের ব্যবহারে নেই সচেতনতা।
বেলা বাড়ার সাথে সাথে হাজীগঞ্জ মুখী হতে থাকে সাধারণ মানুষ সেই সাথে বাড়তে থাকে ছোট ছোট যানবাহন। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেলেই যেনো চোর-পুলিশ খেলা।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খাঁন মজলিসের নেতৃত্বে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্যট উজ্জ্বল হোসেন বিজিবি সদস্যদের নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো হাজীগঞ্জে ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করেন। হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোমেনা আক্তার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৪ মামলা ২৭০০শ টাকা জরিমানা করা হয়।
ওইসময় উপস্থিত ছিলেন, হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ, ওসি(তদন্ত) ইব্রাহিম খলিল, সহ হাজীগঞ্জ থানার পুলিশ প্রশাসন।
কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করতে সকাল থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে নেমেছেন। বিধি-নিষেধ অমান্য করলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১ জুলাই চাঁদপুরে ৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে । চাঁদপুর সদরে ৩২, মতলব দক্ষিণে ১, উত্তরে ১ ও ফরিদগঞ্জে ১ জন। জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ১২৭ জন। মোট করোনা আক্রান্ত ৫ হাজার ৪ শ ৯৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৮শ ৫৪ জন।
ঘরে থাকি, সুস্থ থাকি। লকডাউন মেনে চলি।


























