
শাহরাস্তিতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খুন


বৃহস্পতিবার সকালে শাহরাস্তি উপজেলার নাওড়া গ্রামের (রেল ক্রসিং সংলগ্ন) আমিন মিয়া বাড়ির নূরুল আমিন (৭০) নামে এক বৃদ্ধ দূর্বৃত্তদের হাতে নিহত হয়েছেন। তার স্ত্রী কামরুন নাহারকে আহত অবস্থায় পুলিশের সহযোগীতায় ঢাকা একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়। ঘটনাস্থল পিবিআই, সিআইডি ও ডিবি সহ সকল গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাগণ তদন্ত করেছেন।
নাওড়া পাটওয়ারী বাড়ি মসজিদের সভাপতি শামছুল আলমের কাছে নিহতের মেজো মেয়ে কল করে জানান বাবার ফোন বন্ধ রয়েছে। ওই সময় শামছুল আলম বাড়িতে গিয়ে দেখেন প্রধান ফটকে তালা মারা। এ সময় তার সাথে থাকা মাহফুজ আলম নামে এক যুবক ৯৯৯ নম্বরে কল করে জানায়।
ঘটনাস্থলে ভবনের জানালা দিয়ে নিহতের স্ত্রীকে আহত অবস্থায় দেখতে পায় প্রত্যক্ষদর্শীরা। স্থানীয়রা জানায়, নিহত নূরুল আমিন নাওড়া পাটওয়ারী বাড়ি জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক। প্রায় ৭-৮ বছর পূর্বে বড়ুরা সমাজসেবা কার্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তার স্ত্রী একই কার্যালয়ে কর্মরত থেকে ৬ মাস পূর্বে অবসরপ্রাপ্ত হন। তিন মেয়ে ও এক ছেলে পরিবার পরিজন নিয়ে ঢাকায় বসবাস করে। অবিবাহিত ছোট মেয়ে তার ভাইয়ের বাসায় ছিলেন।


এই বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের বন্ধু শামছুল আলম বলেন, মেজো মেয়ের কল পেয়ে দ্রুত তার বাড়িতে যায় ও পুলিশকে জানান।
ছোট মেয়ে মিলি জানায়, ২৯ জুন বাবার সাথে কথা হয়। আমার জন্য ব্যাংক থেকে ৩৫ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন বলে জানিয়েছিলেন। এরপর থেকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি।
শাহরাস্তি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল মান্নান জানান, প্রাথমিকভাবে কোন ঘটনায় কাউকে আটক বা সন্দেহ করা হয়নি। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর পাঠানো হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(শাহরাস্তি সার্কেল) মো. আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, ঘটনাস্থলের সকল আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত খুনীদের সন্ধান পাবো।
চাঁদপুর জেলা সহকারী পুলিশ সুপার(অপরাধ ও প্রশাসন) সুদীপ্ত রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বিবৃতিতে বলেন, প্রাথমিকভাবে মাথায় আঘাত ও মুখে মৌজা পেয়েছি। ছাদের দরজা খোলা ছিলো। ঘটনা তদন্তাধীণ।


























