
হাজীগঞ্জের শিশু আরাফ চট্টগ্রামে খুন


হাজীগঞ্জ উপজেলার ৯নং গন্ধর্ব্যপুর ইউনিয়নের তারালিয়া গ্রামের শিশু আরাফ চট্রগ্রামে খুন হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে তাকে গ্রামের বাড়ীতে এনে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের বাকলিয়ার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে রোববার রাতে একটি আট তলা ভবনের পানির ট্যাংকিতে শিশু আরাফের মৃতদেহ পাওয়া গেছে।

তার বাবা আব্দুল কাইয়ুম। তিনি সেখানে একটি ঔষধ কোম্পানিতে চাকরী করেন।

এবিষয়ে চট্রগামে মহানগরের বাকুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে তার বাবা আবদুল কাইয়ুম হোসেন খান।

তার গ্রামের বাড়ি হাজীগঞ্জ উপজেলার ৯ নং গন্ধর্ব্যপুর (উ:) ইউনিয়নের তারালীয়া গ্রামে। সোমবার সন্ধ্যায় শিশু আরাফের মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হয়েছে।
হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চট্রগাম মহানগর বাকুলিয়া থানার উপ- পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন।
তিনি জানান, রোববার খবর পেয়ে পরে সৈয়দ মুনছুর আলী সড়কের নুরুল আমিন মিয়ার ৮ তলা বাড়ির পানির ট্যাঙ্কি থেকে শিশু আরাফের লাশ উদ্ধার করি। লাশ উদ্ধার করে চট্রগাম মেডিকেল কলেজে ময়নাতদন্ত করা হয়। পরে মৃতদেহ বাবা কাইয়ুম হোসেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তদন্তকাজ অব্যাহত রয়েছে।
শিশুটির পিতা কাইয়ুম হোসেন খান জানান, আমি চট্রগাম মহানগরের ১৯ নং ওয়ার্ড ম্যাচফ্যাক্টুরি এলাকার সৈয়দ মুনছুর আলী সড়কের নুরুল আমিনের ৭ তলা বাড়ির নীচতলায় ভাড়া থাকি। হটাৎ রোববার বিকালে আমার ফোন আসে যে আমার ছেলে শিশু আরাফকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। পরে বাসায় এসে স্থানীয় মসজিদে ও সড়কে মাইকিং করি। কিন্তু তার কোন খোঁজ না পেয়ে রাত আটটায় বাকুলিয়া থানায় ডায়রি করি যার নং ২৪৮। রাত সাড়ে আটটায় খবর পাই আমার ছেলের লাশ পাওয়া গেছে। বাসায় গিয়ে দেখি বাড়ির ৮ তলার পানির ট্যাঙ্কিতে তার লাশ। পরে তাকে পুলিশ উদ্ধার করে।
শিশুর বাবা আবদুল কাইয়ুম পপুলার বিডিনিউজ ডটকমকে বলেন, আমার ছেলেকে কে বা কাহার মেরে পানির ট্যাংকিতে লুকিয়ে রাখে। থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী করেছি। পরে এটি হত্যা মামলায় স্থানান্থর হয়। আমার নিষ্পাপ শিশুর হত্যাকারীদের বিচার চাই।
বৃদ্ধা দাদা হাফেজ তাজুল ইসলাম হাউমাউ করে কাঁদছেন আর বলছেন, আমার নাতি শিশু সে ত করো ক্ষতি করেনি। এ নিষ্পাপ শিশু আমার ভাইটাকে কে মারল।
উল্লেখ্য, কাউয়ুম হোসেন দীর্ঘ দিন থেকে চট্রগামের সৈয়দ মুনছুর আলী সড়কের ওই বাসায় ভাড়া থাকেন। তিনি অফসোনিন ফার্মা কোম্পানি লি: সিনিয়ার ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত। সে হাজীগঞ্জ উপজেলার তারালীয়া গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে।

























