
হাজীগঞ্জে মো. শহীদুল্লাহ্ পাটোয়ারীর প্রথম স্মরণসভার


মোঃ মাইনুদ্দিন মিয়াজী হাজীগঞ্জ উপজেলার ৫ নং সদর ইউনিয়নের বাড্ডা গ্রামের কৃতিসন্তান মাওলানা মুফতি মোঃ শহীদুল্লাহ পাটোয়ারী প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী ও স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার ১১জুন তাঁর নিজ বাড়িতে প্রতিষ্টিত সেকান্দার আল-আমিন কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে, পবিত্র কোরআন খতম মিলাদ ও মোনাজাত এবং কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। মৃত শহীদুল্লাহ পাটোয়ারীর পিতা মরহুম মোঃ সেকান্দর আলী পাটোয়ারী। বাড্ডা গ্রামের পাটোয়ারী বাড়িতে তার জন্ম ১ মার্চ ১৯৫৫ইং -মৃত্যু ২০২০ইং; তিনি ৬৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা বি.এ(অনার্স) এম.এ ইসলামিক স্টাডিজ,১৯৭২ইং ও ১৯৭৫ইং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এম. এম কামেল ইলমে হাদিস, ফেকাহ শালিহ আরবি সাহিত্য, সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা ১৯৭৪ইং, পেশাঃ ব্যবসা, নেশা লেখালিখি, প্রায় ৩০ বছর যাবত প্রতিষ্ঠাতা, সম্পাদক ও প্রকাশক, সাপ্তাহিক বাণিজ্য বিচিত্রা।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে তিনি একাধিক বই প্রকাশ করেন। বাংলার মহানায়ক যাত্রাপালা, বঙ্গবন্ধুর নির্বাচিত ভাষণ প্রথম খন্ড থেকে চতুর্থ খন্ড, স্মৃতি বড় মধুর স্মৃতি বড় বেদনার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে রচিত নোবেলজয়ী ১৯২৬, আমাদের সমাজের রুপরেখা, প্রিয় নবীর বিদায় হজ্বের ভাষণ এর আলোকে, চারণ সাংবাদিক মোনাজাত উদ্দিন, নির্যাতিতা থেকে বিশ্ব নন্দিত, বাংলাদেশের অর্থনীতির চালচিত্র ড. সলিমুল্লাহ খান, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বইসহ অর্ধশত বই লিখেছেন। তাছাড়াও তিনি অসংখ্য বই প্রকাশনার কাজে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।


সমাজসেবা ও সংগঠক, অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য যথাক্রমে সেকান্দার আল- আমিন এতিমখানা, বাড্ডা, হাজিগঞ্জ, চাঁদপুর। চন্দ্রবান হাফিজিয়া মাদ্রাসা, বাড্ডা, হাজিগঞ্জ। সপ্তগ্রাম জনকল্যাণ সমিতি, ১৯৭২ইং; সপ্তগ্রাম গার্লস হাই স্কুল, হাজিগঞ্জ ১৯৭৫ইং; সুহিলপুর বয়েজ হাই স্কুল, ১৯৭৬ইং; হাজিগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ হাজার ১৯৮০ইং; ১৯৭২ইং সালে গঠিত জগন্নাথ কলেজ ছাত্র সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। স্বাধীনতা-উত্তরকালে গঠিত বাংলাদেশ মাদ্রাসা ছাত্র পরিষদের মহাসচিব ছিলেন। তিনি একাধারে ১৯৮০ইং থেকে ১৯৯৮ইং সাল পর্যন্ত ঢাকা মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক; ১৯৯২ইং সালে গঠিত ঢাকা মহানগর ব্যবসায়ী সমিতি ঐক্য জোটের মহাসচিব, ১৯৮৫ইং থেকে ১৯৯০ইং সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপার ডিলাস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব; ১৯৯৮ইং থেকে ২০০১ইং সাল পর্যন্ত রমনা পার্ক ওয়ার্কস ফেডারেশনের মহাসচিব, রমনা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ কালচারাল ফোরাম এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ কোরআন ও হাদিস গবেষণা ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান; বাংলাদেশ ভাড়াটিয়া অধিকার সংরক্ষণ সোসাইটির সভাপতি ছিলেন। সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এমপি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম (বকশিবাজার) এর সাথে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন সময় তিনি ব্যবসায়ীক কাজে ইতালি ,মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ,ভারত ও পাকিস্তান সফর করেন। ১৯৮৫ইং সালে তিনি হজ্ব পালন করেন এবং পবিত্র মক্কা ও মদিনা ভ্রমণ করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল হাই, ৫ নং সদর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও হাজীগঞ্জ উপজেলা ৫নং সদর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ প্রধানীয়া সুমন সহ স্থানীয় রাজনীতি, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী তে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।
H/N



























