
যুবলীগ নেতা আহত, মহাসড়ক অবরোধ


চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে একই সংগঠনের প্রতিপক্ষের লোকজন। আহত যুবলীগ নেতার মো: শওকত আলী (২৯) কুমিরা ইউনিয়নের দেলিপাড়া ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি।
বৃহস্পতিবার রাতে ওই হামলার পর শুক্রবার তার অনুসারীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আধা ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। এতে মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত হয়ে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো মুহূর্তে দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলকাবাসী।
মাথায় গুরুতর আহত শওকত চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার বিকেলে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার জ্ঞান পেরেনি বলে জানা গেছে।


বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে যুবলীগ নেতা শওকত দেলিপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বসা ছিলেন। হঠাৎ মোরশেদ চেয়ারম্যানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত মো: মামুনের নেতৃত্বে পাঁচ থেকে ছয়জনের একটি ‘সন্ত্রাসী’ গ্রুপ কার্যালয়ে ঢুকে ধারালো কিরিচ দিয়ে শওকতের মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মারাত্মক আহত হন। এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা চলে যায়।
শওকতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে তিনি চমেকের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।
শুক্রবার বিকেলে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি বলে চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা মো: নাছির উদ্দিন। কুমিরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা নাছির জানান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোরশেদ চৌধুরী ও হারুন মেম্বারের নির্দেশেই মামুনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে দরজা বন্ধ করে যুবলীগ নেতা শওকতের মাথায় এলোপাথাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক আহত করা হয়েছে।
অপর দিকে চেয়ারম্যান মোরশেদ চৌধুরী বলেন, ‘নাছির নিজে বাঁচার জন্য এ মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। মামুন আমার গ্রুপ বা দলের কেউ না। মামুন একজন পেশাদার সন্ত্রাসী। তার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। এ ঘটনার বিচারক হোক আমিও তা চাই।’
আহতের পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে সীতাকুন্ড মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সুমন বণিক বলেন, ফের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দেলিপাড়ায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।




























