
নওমুসলিম রিয়া’র ভাঙ্গা সংসারে জোড়া লাগালেন কচুয়ার ওসি আজিজুল ইসলাম


কচুয়ায় শাশুড়ির অভিমানে একটি সংসার ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়। এমন একটি ঘটনায় এক দম্পতির সংসার জোড়া লাগালেন চাঁদপুরের কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম।
এ ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হওয়ায় আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়।সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ওসির উদ্যোগে সমস্যাটি সমাধান হওয়ায় সব মহল সাধুবাদ জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গত ৭মাস পূর্বে নওমুসলিম রিয়া ভালোবাসার টানে রাব্বিকে বিয়ে করেন।আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে রিয়াকে রেখে প্রবাসে পাড়ি জমান রাব্বি।
তারপর তার মা ও চাচার পারস্পরিক যোগসাজশে রিয়াকে তার অগোচরে তালাক দিতে বাধ্য করান।পরবর্তীতেতে এ বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে কচুয়া থানার ওসি মো. আজিজুল ইসলামের দৃষ্টিগোচর হয়।কচুয়া থানার ওসি মো. আজিজুল ইসলাম স্থানীয় নেতৃবৃন্দ,ছেলের মা ও আত্মীয়স্বজন এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বলে (২২ অক্টোবর ২৬) দুপুরের বিষয়টির সমাধান দেন।
তিনি ভুক্তভোগী নওমুসলিম রিয়া ও তার শাশুড়ি এবং ওই ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের তাঁর দপ্তরে ডেকে আনেন।
পরে ভুক্তভোগী নওমুসলিম রিয়া ও তার শাশুড়ির জবানবন্দি শুনে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয় তারা বিচ্ছিন্ন হবেন না। জীবনটাকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলবেন। পরে সকলের উপস্থিতিতে ওসির কাছে তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।
ভুক্তভোগী রিয়া আগামী জীবন সুন্দর ও সাবলীল করার লক্ষ্যে ওসি আজিজুল ইসলামের দোয়া চেয়ে বিদায় নেন।
ওসির এ ধরনের মানবিক পদক্ষেপকে উপজেলাবাসী সাধুবাদ জানিয়ে তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করছেন। এ ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হওয়ায় ‘টক অব দ্য কচুয়ায়’ পরিণত হয়।
ওই গৃহবধূ ৮ নং কাদলা ইউনিয়নের নয়াকান্দি গ্রামের হিন্দু পরিবারের কন্যা।প্রেমের টানে সাত মাস আগে সে ওই এলাকার আব্দুল্লাহর ছেলে রাব্বিকে বিয়ে করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী রিয়া আক্তার জানান, একজন মানবিক ওসির উদ্যোগে আমাদের ভেঙে যাওয়া সংসার জোড়া লেগেছে। আমি আবার নতুন একটি জীবন ফিরে পেয়েছি।
একই বিষয়ে জানতে চাইলে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, একটি মানবিক কাজ করতে পেরে খুব আনন্দ বোধ করছি এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। দোয়া করছি তারা যেন সুখী হয়।



























