
বড়কুলে কামালকে রক্তাক্ত জখম করলো স্ত্রীর প্রেমিক


হাজীগঞ্জে কামাল নামে এক সৌদি প্রবাসিকে রাতের আঁধারে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল বুড়ির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত কামাল হোসেন জানান, তার বাড়ির মরহুম কুদ্দুস মিয়ার ছেলে মানিক এ ঘটনা ঘটিয়েছে। সে তার স্ত্রী জান্নাতের পরকিয়া প্রেমিক। সম্প্রতি কামাল সৌদি আরব থেকে ছুটিতে আসেন।
আহত কামাল জানান, তিনি হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬নং পূর্ব বড়কুল পর্ব ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়কুল গ্রামের বুড়ির বাসিন্দা। কামাল হোসেন প্রায় ১১বছর পূর্বে একই গ্রামে সালামত উল্লাহ মেম্বার বাড়ির শাহ আলমের মেয়ে জান্নাত আক্তার কে বিয়ে করেন ।
সম্পর্কে জান্নাত কামালের ফুফাত বোন। তারা দুই সন্তানের জনক জননী । কামালের অভিযোগ , বিয়ের পর থেকে জান্নাত নানান অপকর্ম জড়িয়ে পড়ে। এতে কামালের পরিবারের লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। কামালের পরিবারের নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক কয়েকজন বলেন, বিয়ের কয়েক বছর পর থেকেই জান্নাত পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে। কয়েকবার পারিবারিকভাবে মীমাংসা হলেও নিজেকে শুব্দ করে নেয়নি কামালের স্ত্রী জান্নাত বেগম।


স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা কামাল বলেন, জান্নাতের সাথে একই বাড়ির মানিকের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে, আর বিষয়টি দক্ষিণ বড়কুল গ্রামের অনেকেই জানেন। ইতোমধ্যে স্থানীয় গণ্যমান্য ও নিকটাত্মীয়দের মাধ্যমে কয়েকবার বিষয়টি সাবধান করা হলেও তারা তা পরিহার করেনি ।
সৌদি আরব থেকে আসা কামাল জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ঘরের বাহিরে মানিক বসে বসে আমার ঘরে টোকা দেয় পরে লাইট নিয়ে বের হলে মানিক তাকে কামালকে আঘাত করে। এতে কামাল গুরুতর আহত হয়। এলাকাবাসি তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কামালের স্ত্রীর জান্নাত বেগম বলেন, আমার স্বামীকে কে বা কারা মেরেছে তা আমি জানিনা তবে রাতের আধারে যারা আমার স্বামীকে মেরেছে ওই সন্ত্রাসীদের উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত।
কামালের ভাই মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আমার ভাই সাধারণ লোক যারা তাঁর উপরে হামলা করেছে রক্তাক্ত জখম করেছে গ্রামের গণ্যমান্য ও প্রশাসনের লোকদের মাধ্যমে এর উচিত বিচার কামনা করছি। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংসার চেস্টা চলছে।
হাজীগঞ্জ থানার ওসি আলমগীর হোসেন রনি বলেন, এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিব।

























