
জুলাই-আগস্টে হতাহতদের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ চায় হাইকোর্ট


জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আহত-নিহতদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ দুই সপ্তাহের এ রুল জারি করেন।


এ রুলের বিবাদী করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র, আইন সচিব, অর্থ সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও ঢাকা জেলা প্রশাসককে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রওশন আলী। হাইকোর্টে রিটটি করেন উত্তরা এলাকার বাসিন্দা মনির মুন্না।
মনির মুন্না গত ৯ অক্টোবর পাঁচটি বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আদালতের নির্দেশনা চান।
এর মধ্যে রয়েছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের এখনো কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি। ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা অবিলম্বে নেওয়া, নিহত এবং আহতদের একটি সম্পূর্ণ ও আনুষ্ঠানিক তালিকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরামর্শক্রমে দ্রুত সম্ভব প্রণয়ন করা।
অনেক আহত ব্যক্তির উন্নত এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। আহত ব্যক্তিদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া, বিশেষ করে গুরুতর আহতদের জন্য বিশেষায়িত যত্নের ব্যবস্থা করা।
ক্ষতিপূরণ নীতি প্রণয়নে একটি কমিটি গঠন করা, যা সরকারি কর্মকর্তা, স্বাধীন বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয়ে গঠিত হবে। এ কমিটি নিহতদের পরিবার ও আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ মূল্যায়ন এবং বণ্টনের জন্য স্পষ্ট এবং স্বচ্ছ মানদণ্ড, নির্দেশিকা ও নীতিমালা তৈরি করবে। এর ফলে প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও কার্যকর হবে।
এ বিষয়ে সুশৃঙ্খলভাবে পদক্ষেপ নিশ্চিত করার জন্য একটি স্বাধীন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা, যারা ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকবে। এর মাধ্যমে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য তহবিল এবং বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।




























