
আধুনিক যন্ত্রের ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গরুর হালচাষ
Link Copied Successfully!

মতলব উত্তর উপজেলায় আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে গেছে গরুর হাল। কৃষিজীবী মানুষ দ্রুত কাজ করতে ব্যবহার করছেন এখন আধুনিক যন্ত্রপাতি। ফলে ব্যবহার কমেছে ঐতিহ্যবাহী অনেক কৃষি যন্ত্রপাতির। অতীতে জমিতে হালচাষের জন্য গ্রামের মেঠো পথে-প্রান্তরে দেখা যেত গরু ও মহিষ। বর্তমান যুগে পশু দিয়ে হালচাষের পরিবর্তে এসেছে আধুনিক বিভিন্ন সব প্রযুক্তি। তাই নতুন প্রজন্মের অনেকের কাছেই জমিতে গরু দিয়ে লাঙল কিংবা মই টানার দৃশ্য এখন অপরিচিত। আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিলুপ্তির পথে চিরচেনা এই পদ্ধতি।
প্রযুক্তির জাঁতাকলে পিষ্ট লাঙল-গরুর সেই হালচাষ। মতলব উত্তরে এক সময় গরুর হাল ছিল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য। শিশিরভেজা ভোরে চাষিরা এই গরুর হাল দিয়ে জমি চাষ করতে বের হয়ে যেতেন মাঠে। পরে চাষিদের স্ত্রীরা আসতেন পান্তাভাত নিয়ে।
জমির আইলে বসে শুকনো মরিচ আর পান্তাভাত খেয়ে আবার জমি চাষ শুরু করতেন চাষিরা। সময়ের বিবর্তনে পাল্টে গেছে সেই দৃশ্যপট। এক সময় বাড়ি থেকে বের হয়ে মাঠের দিকে নজর পড়তেই দেখা যেত শত শত কৃষক বাঁশের ফালা দিয়ে তৈরি করা ধারালো লাঙল কাঠের হাতল আর ১৩এর জোয়ালের মাধ্যমে গরুর কাঁধে বেঁধে দিয়ে জমি চাষ করছেন। অথচ গরু ও লাঙলের সঙ্গে কৃষকের সেই মিতালির দৃশ্য এখন বিরল। কালের পরিবর্তন আর বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় গরু ও লাঙলের স্থান দখল করে নিয়েছে ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলারসহ বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতি। এখন কৃষক তার সুবিধামতো যেকোনো সময় প্রয়োজনীয় জমি চাষ এবং মই দিয়ে ফসল আবাদ করতে পারছেন। ট্রাক্টর এর ড্রাইভার পৌর এলাকার বারআনী গ্রামের মুজিবুর রহমান বলেন, বর্তমান সময়ে ট্রাক্টর দিয়ে খুব দ্রুত হাল চাষ করা যায় এতে সময় কম লাগে এবং জমির মাটিও ভালো হয়।








