
নতুন বই হাতে পাওয়ার অপেক্ষায় শিক্ষার্থীরা


নতুন বইয়ের গন্ধ শুঁকে শিক্ষার্থীরা শুরু করবে নতুন বছর। ইতোমধ্যে সব উপজেলার ন্যায় হাজীগঞ্জ উপজেলায়ও পৌঁছে গেছে শিক্ষার্থীদের নতুন পাঠ্যপুস্তক। উপজেলায় পৌঁছালেও সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখনো পৌঁছায়নি নতুন বই। তবে শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ফলে নতুন বছর শুরু হতে না হতেই নতুন বইয়ের গন্ধে ভরে উঠবে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গন। নতুন বই পাওয়ার অপেক্ষায় শিক্ষার্থীরাও।
হাজীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, পুরো উপজেলায় এমপিও ভুক্ত ও নন এমপিওভুক্ত স্কুল মাদ্রাসা মিলিয়ে প্রায় ৬৫টি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১৫৩ টি।


সবগুলোতে এখনো নতুন বই না গেলেও কিছু কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন বই পৌঁছে গিয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সবগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা অফিস। এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, নতুন বছরে দেশের ৪ কোটি ২৭ লাখ ৫২ হাজার ১৯৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে বিতরণ করা হবে ৩৫ কোটি ৩৯ লাখ ১৪ হাজার ১৯৭টি বই।
এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিকের প্রায় ৩৩ লাখ শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে ৬৬ লাখ ৭৫ হাজার ২৭৬টি বই। প্রাথমিকের ২ কোটি ৪ লাখ ৪১ হাজার ৫৯৫ শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে ৯ কোটি ৮৫ লাখ ৫ হাজার ৪৮০টি বই। এছাড়া ২ কোটি ৩২ লাখ ৪৩ হাজার ৩৫টি নতুন বই মাদ্রাসার ইবতেদায়ীর প্রায় ৩৩ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে বিতরণ করা হবে।
এনসিটিবি সূত্রে আরও জানা গেছে, মাধ্যমিকের বাংলা ভার্সনের প্রায় পৌনে ১ কোটি শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে ১৮ কোটি এক লাখ ৮৮ হাজার ৬৩৯টি এবং ১২ লাখ ৮৬ হাজার ৮৯২টি বই দেয়া হবে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের।








