
ঋন তুলে দেয়ার কথা বলে অভিনব প্রতারণা, এলাকাবাসীর নানান অভিযোগ


লোন তুলে দেয়ার কথা বলে অভিনব প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে কচুয়ার সেফায়েত উল্লাহ’র বিরুদ্ধে।
গেলো রবিবার বিকালে কচুয়া উপজেলার কড়াইয়া ইউনিয়নের আকানিয়া গ্রামে সরেজমিনে গেলে একাধিক ভুক্তভোগী পরিবার সেফায়েত উল্লাহ্’র বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলে ধরেন।
এমনই এক অভিযোগ তুলে ধরেন আকানিয়া গ্রামের জুমা বাড়ীর ভুক্তভোগী চা দোকানী কামাল হোসেন।


তিনি বলেন, মেয়ের জামাতা’কে প্রবাসে পাঠাতে প্রয়োজন টাকা। আর সেই টাকা যোগান দিতে ঋন তুলে দেয়ার কথা বলেন নাসিরপুর গ্রামের মুন্সী বাড়ি’র সেফায়েত উল্লাহ্।
ওইদিন সাথে সাথে কৃষি ব্যাংকে একাউন্ট খুলে চেক বইয়ের খালি চারটা পাতা সাইন নিয়ে নেয়। এছাড়াও খালি চারটা স্ট্যাম্পে সাইন নেয়। কিছুদিন যাওয়ার অভিযুক্ত সেফায়েত উল্লাহ্ আপনার ঋণ পাশ হয়েছে খুব শীগ্রই টাকা পেয়ে যাবেন। এবাবে পাঁচ ছয়মাস যাওয়ার পর দোকানে এসে আট লাখ দাবি করে বসেন সেফায়েত উল্লাহ্। তিনি বলেন টাকা না দিলে মামলা করার হুমকি দেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি চ্যাক জালিয়াতি মামলা তাদের বিরুদ্ধে করেন।
আমাদের কোন টাকা না দিয়ে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করে হয়রানি করা হচ্ছে। এ ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সুবিচার প্রত্যাশা করেন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, সেফায়েত উল্লাহ্ অযথাই সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি নিয়মিত হয়রানি করে আসছে। দু’জনের বিরুদ্ধে চেকের মামলা দুটো করেছে। এ পর্যন্ত কোন মামলার রায় তার পক্ষে যায় নি। শুধু তাই এ বিষয়ে তার ছেলে প্রতিবাদ করায় তার বিরুদ্ধেও মামলা করেন।
এমন ঘটনা অহরহ হওয়ায় স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সেফায়েত উল্লাহ্’কে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করেন।
এদিকে সেফায়েত উল্লাহ বলেন, সম্পত্তিগত বিষয়ে তার প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে দু’টি মামলা দায়ের করেন। এছাড়াও আকানিয়া গ্রামের চায়ের দোকানী কামাল হোসেন’কে ঋন তুলে দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন তার পাওনা টাকা পরিশোধ না করায় তার বিরুদ্ধে চেকের মামলা দায়ের করেন। এই একটাই মাত্র চেকের মামলা করেন তিনি।
ছেলের বিষয়ে মামলা করার বিষয়ে জানাতে চাইলে বলেন অন্যায় করেছে তাই মামলা করেছেন।








