
ফরিদগঞ্জে শিশু সোহান হত্যাকান্ড
শিশু সোহানকে শ্বাসরোধ করে মাটিচাপা দেয় গৃহশিক্ষক : পুলিশ সুপার
Link Copied Successfully!

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার আলোচিত আট বছরের শিশু সোহানকে শ্বাসরোধ করে মাটিচাপায় দেয় গৃহশিক্ষক আবদুল আহাদ (১৭)। বুধবার চাঁদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ পিপিএম।
গৃহ শিক্ষক মোঃ আবদুল আহাদ (১৭ বছর ৬ মাস) একই গ্রামের তালুকদার বাড়ীর শরীফ তালুকদারের ছেলে। পুলিশ শিশু সোহানের মায়ের মুঠোফোনে কল করার একটি সূত্র ধরে মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। বুধবার দুপুরে চাঁদপুর আদালতের মাধ্যমে তাকে গাজীপুর কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ সুপার বলেন, গৃহশিক্ষক আবদুল আহাদ শিশু সোহানকে মুখ চাপা দিয়ে ধরলে কিছুক্ষণ সে অজ্ঞান হয়ে থাকে। সে সময়ের মধ্যে অপরিচিত মোবাইল নম্বর
থেকে ফোন করে ভিকটিমের মায়ের কাছ থেকে মুক্তিপনের টাকা আদায় করতে চেয়েছে। তার দেয়া তথ্যমতে, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত হাত দা, মুক্তিপণ আদায়ের জন্য ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, হত্যাকান্ডের সময় ধৃত্ত
আসামীর পরিহিত জামা ও লুঙ্গি জব্দ করা হয়।
পুলিশ সুপার আরো বলেন, আবদুল আহাদ মাত্র দশম শ্রেণিতে পড়ে। সে তিন/চারমাস আগে বিয়ে করে। টিউশনি করে সংসার চালানো দায় হয়ে পড়ে। শিশু সোহানের মায়ের কাছে ২৫/২৬ হাজার টাকা জমানো আছে জানতে পারে আহাদ। পরে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য সোহানকে নিরবস্থানে নিয়ে যায়। নাকে মুখে চেপে ধরায় মারা যায় সোহান। রাতেই সে মাটি খুঁড়ে সোহানকে মাটিচাপা দেয়।
নিখোঁজের চারদিন পর চাঁদপুরে ফরিদগঞ্জ উপজেলার আট বছরের শিশু আদিল মাহমুদ সোহানের মাটিচাপা মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গেল ১৫ মে মাগরিবের নামাজ পড়তে বাড়ির পাশের মসজিদে যায় সোহান। ২০ মে শুক্রবার সকালে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত জায়গা থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তার লাশ।
শিশু সোহান ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার রুদ্রগাঁও তালুকদার বাড়ির মো. আনোয়ার ও ফাতেমা বেগম দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ, ফরিদগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আবদুল মান্নানসহ সাংবাদিকবৃন্দ।




























