
চাঁদপুরে বিএনপির গণমিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ
খুন গুম আর দমন-পীড়ন করে আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করেছে - জয়নুল আবদিন ফারুক
Link Copied Successfully!

১০ দফা বাস্তবায়ন এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীসহ গ্রেপ্তারকৃত সকল নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে চাঁদপুরে বিএনপির প্রতিবাদ সভা ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৪ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের হাজী মহসিন রোডে গণমিছিল পূর্বত সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিম হয়। গণমিছিলে অংশ নিতে দুপুরের পর থেকেই হাজার হাজার নেতাকর্মীরা খণ্ড খন্ড মিছিল নিয়ে হাজী মহসিন রোডে সমবেত হয়।
পরে সেখান থেকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাবেক বিরোধীদলীয় চীপ হুইপ ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক এবং চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের নেতৃত্বে বিশাল এক গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক বিরোধীদলীয় চীপ হুইপ ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, দেশে খুন গুম আর বিরোধী দলকে দমন-পীড়ন করে আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করেছে। অথচ তারা কথায় কথায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বুলি আওড়ায়।
তিনি আরো বলেন, এই জালেম স্বৈরাচারী সরকারকে হটাতে না পারলে দেশে সাধারণ মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরে আসবে না। অবৈধ স্বৈরাচারী সরকারকে হটাতে হলে গণ আন্দোলনের বিকল্প নেই। গণ আন্দোনের মাধ্যমেই এই জালিম সরকারকে গণমানুষের দাবী মেনে নিতে বাধ্য করা হবে।
চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সলিম উল্লাহ্ সেলিমের পরিচালনায় প্রতিবাদ সভা ও গণমিছিলে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলক, মহিল দলসহ সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বিএনপির গণমিছিলে যেনো কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।








