
মতলব উত্তরে খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যলয়ের নৈশ প্রহরীর বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ
Link Copied Successfully!

মতলব উত্তর উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার কার্যলয়ের এক নৈশ প্রহরীর বিরুদ্ধে নানান অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।
তিনি অফিসের নৈশ প্রহরী হয়েও বিভিন্ন জনের কাছে সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। অভিযুক্ত কর্মচারীর নাম জাহাঙ্গীর তিনি নৈশ প্রহরী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
জানা যায়, দীর্ঘদিন একই স্থানে চাকরির সুবাদে অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সব জেনেও চুপ থাকেন। তারা ধরেই নিয়েছেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক যেই আসুক, মূল ক্ষমতা নৈশ প্রহরী জাহাঙ্গীরর হাতেই থাকবে। তাই চাকরির ভয়ে সবাই চুপ থাকেন।
সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জাহাঙ্গীর চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হয়ে গজরা ইউনিয়নে সহকারী প্রিজাইটিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছেন। ওএমএসের মাধ্যমে পৌর এলাকায় চার জন ডিলারের মাধ্যমে চাল বিতরণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। পরে জাহাঙ্গীর অবৈধ পন্থায় আরো তিন জনকে ডিলার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে।
খাদ্য বান্ধব ও ওএমএস প্রকল্পের আওতায় বিতরণকৃত বিভিন্ন পৌর ও ইউনিয়নে পরিদর্শনের কথা ফুড ইন্সপেক্টরের কথা থাকলেও নৈশ প্রহরী জাহাঙ্গীর তিনি প্রতিটি ইউনিয়নে পরিদর্শনে যাচ্ছেন। প্রতিবছর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর মাধ্যমে উপকারভোগীদের যাবতীয় তথ্য অনলাইন করতে হবে মর্মে প্রতিজনের কাছ থাকে ১০০ টাকা নিয়েছেন।
এই মর্মে নৈশ প্রহরী জাহাঙ্গীরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উর্ধ্বতন কর্মকর্তার দাপ্তরিক আদেশে খাদ্যবান্ধব ও ওএমএস চাল বিতরণের সময় পরিদর্শনে যাই।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আ. সালাম জানান, অফিসে কোনো সিন্ডিকেট নেই। এর পরও কোনো অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








