
আফ্রিকান ব্যাটারদের তাণ্ডবে দিশেহারা বাংলাদেশ


ব্রিসবেন-হোবার্টে বৃষ্টির ধাক্কার পর সিডনিতে দলকে আরাম দিচ্ছে আবহাওয়া। রোদ আর উইকেটও যেন বাংলাদেশের পক্ষে। তার ওপর প্রথম ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাস পাওয়া দল এবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও জয়ের স্বপ্ন দেখছে।
এমন চাঙ্গা মনোভাব নিয়ে বোলিং এসে শুরুতেই আঘাত হানেন তাসকিন। ঠিক যেন নেদারল্যান্ডস ম্যাচের পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে। প্রথম ওভারেই প্রোটিয়া অধিনায়ক টেম্বা বাভুমাকে ফিরিয়ে দিয়েছেন পেসার তাসকিন।
অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন নুরুল হাসানের গ্লাভসে। দলীয় ২ রানেই প্রথম উইকেট খুইয়ে বসে দক্ষিণ আফ্রিকা।


কিন্তু নেদারল্যান্ডস ম্যাচের পুনরাবৃত্তি আর ঘটেনি। এর পর যেন ছন্দ হারিয়ে ফেললেন বাংলাদেশের বোলাররা। সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তুলছেন রাইলি রুশো ও কুইন্টন ডি কক। ওভার প্রতি ১০.৫৪ করে নিয়েছেন এ দুই ব্যাটার।
পাওয়া প্লেতে এক উইকেটে ৬৩ রান নিয়ে ফেলেছেন তারা। আজ ইয়াসির আলী রাব্বিকে বসিয়ে রেখে স্পিন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজকে নামিয়েছেন নির্বাচকরা।
কিন্তু বোলিংয়ে এসে তুলোধোনা হলেন তিনি। দ্বিতীয় ওভারটিই তাকে দিয়ে করিয়েছেন সাকিব। সে ওভারে ৮ রান দিলেও নিজের দ্বিতীয় ওভারে ১৬ রান দিয়েছেন। তার সেই ওভারে দুটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন রুশো।
আগের ম্যাচে কম রান দেওয়া বোলার হাসান মাহমুদকেও ছেড়ে কথা বলেননি রুশো।
প্রথমবার আক্রমণে এসেই দুই ছক্কা-চার খেয়েছেন হাসান। এ পেসারের ওভার থেকে ১১ রান আদায় করে নিয়েছেন রুশো।
এমন পরিস্থিতেতে ডি কক ও রুশোর লাগাম টেনে ধরতে দারুণ চেষ্টা করেছেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান ও মোসাদ্দেক হোসেন।
৭ম ওভারে মাত্র ৩ রান দিয়েছেন মোসাদ্দেক, এর আগের ওভারে মোস্তাফিজ দিয়েছেন ৫ রান। যে কারণে ১০ ওভার পর দলীয় সংগ্রহ ১০০ ছুঁতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা।
খেলার এ পর্যায়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ১৩ ওভার শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান। ৩৮ বলে ৭৪ পূরণ করেছেন রাইলি রুশো। অন্যদিকে ডি কক ব্যাট করছেন ৩৪ বলে ৫২ রান নিয়ে।




























