
সব ধরনের মসলার দাম নতুন করে বেড়েছে
মসলার বাজারে আগুন


বাজারে শাকসবজি, আটা-ময়দা, ডাল, ভোজ্যতেলসহ একাধিক পণ্যের দাম বাড়তি। এর মধ্যে সব ধরনের মসলার দাম নতুন করে বেড়েছে। পাশাপাশি সপ্তাহের ব্যবধানে চাল, চিনি ও গুঁড়াদুধের দাম আরেক দফা বেড়েছে। ফলে বাজারে পণ্য কিনতে এসে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাওরান বাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজার ও নয়াবাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খুচরা বাজারে প্রতি কেজি এলাচ বিক্রি হয়েছে ২৬০০ টাকা, যা এক মাস আগে ১৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি দারুচিনি বিক্রি হয়েছে ৫০০ টাকা, যা আগে ৪০০ টাকা ছিল। ৩৮০ টাকার প্রতি কেজি জিরা বিক্রি হয়েছে ৫০০ টাকা।
কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে আমদানি করা রসুন ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। শুকনা মরিচ বিক্রি হয়েছে ৩৮০ টাকা, যা আগে ৩০০ টাকা ছিল। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে আমদানি করা আদা ১১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি কেজি কিশমিশ বিক্রি হয়েছে ৪৫০ টাকা, যা আগে ৩৫০ টাকা ছিল। রাজধানীর কাওরান বাজারের কিচেন মার্কেটে মসলা বিক্রেতা মো. শহিদুল বলেন, ডলারের দাম বাড়তি এমন অজুহাতে আমদানিকারকরা সব ধরনের মসলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু দেখা গেছে যেসব মসলার দাম বাড়িয়েছে তা অনেক আগের আমদানি করা। আমদানিকারকরা সুযোগ নিয়েছে। তারা ডলারের বাড়তি দামে নির্ধারণ করে মসলার দাম বাড়িয়ে অতি মুনাফা করছে। তাই তাদের কাছ থেকে মসলা পণ্য বাড়তি দাম দিয়ে এনে বাড়তি দরে আমাদের বিক্রি করতে হচ্ছে। কিন্তু ক্রেতারা আমাদের সঙ্গে কথাকাটাকাটি করছে। এমন হলে সামনে ব্যবসা করা অনেক কঠিন হয়ে পড়বে।
এছাড়া প্রতি কেজি ডানো বিক্রি হয়েছে ৮১০ টাকা, যা এক দিন আগেও ৭৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। রাজধানীর নয়াবাজারে পণ্য কিনতে আসা জাহানারা বেগম বলেন, বাজারে এলেই অস্বস্তি লাগে। এই অল্প টাকা দিয়ে কি থেকে কি কিনব তা ভাবতেই মাথায় হাত উঠে যাচ্ছে। চাল কিনতে এখন নাভিশ্বাস উঠছে। আগে ৬০-৬২ টাকার চাল এখন ৭০ টাকার উপরে কিনতে হচ্ছে। ডালের দামও কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেশি দরে কিনতে হচ্ছে। এমন করে প্রত্যেকটি পণ্যের দাম ২০ টাকার উপরে বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে খেয়ে বেঁচে থাকা বড় দায়।


নয়াবাজারের মুদি বিক্রেতা মো. তুহিন বলেন, পাইকারি বাজারে একটি একটি পণ্য করে সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। যে কারণে আমাদের সব পণ্য আনতে বেশি টাকা খরচ হচ্ছে। বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। তবে আমি বিক্রেতা হলেও দিনশেষে আমি ক্রেতা। আমারও কোনো না কোনো পণ্য বেশি দরেই কিনতে হচ্ছে।
সূত্র:যুগান্তর
N/N







