
আম গাছ থেকে পড়ে যাওয়া শিশুকে চিকিৎসা করানো দায়
শিশু হৃদয়ের পরিবারকে পুলিশের ভয় দেখাচ্ছেন গোপী সাহা
হাত ও মেরুদন্ডে সমস্যা তার
গোপী সাহা ও শিশু হৃদয়। -- পপুলার বিডিনিউজ 
হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬নং বড়কুল পূর্ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ রাঁয়চো এলাকায় শিশু হৃদয়কে আম পাড়তে গাছে উঠিয়ে দেয় সাহাজী বাড়ীর গোপী সাহা। শিশু আম গাছ থেকে ছিটকে পড়ে এখন গুরুতর অসুস্থ্য। তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। এদিকে শিশু হৃদয় আম চুরি করার দায়ে তার বাবা কবির মজুমদার, মা নাজমুন নাহার বিউটি ও ওয়ার্ মেম্বার আবদুর রশিদের নামে হাজীগঞ্জ থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন ওই গোপী সাহা।
জানতে চাইলে শিশু হৃদয়ের মা নাজমুন নাহার বিউটি ও বাবা কবির হোসেন মজুমদার বলেন, গোপী সাহা চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দুই হাজার টাকা দেয়। সেই গোপী সাহা কয়েকদিন পর তাদের নামে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হাজীগঞ্জ থানায় আম চুরির অভিযোগ দেয়। বিষয়টি মিমাংসার জন্য ইউপি সদস্য আবদুর রশিদ যোগাযোগ করায় তাকেও অভিযুক্ত করা হয়। শিশুর হাত ও মেরুদন্ডে সদস্যা দেখা দিয়েছে।
সরজমিনে গেলে জানা যায় গোপী সাহা নিজেই ডেকে নিয়ে পঞ্চম শ্রেণী পড়ুয়া শিশু হৃদয়কে আম পাড়তে গাছে উঠতে বলে। ওইসময় শিশু হৃদয়ের পরিবারের কেউ কাছে ছিল না। শিশু আম গাছ থেকে পড়ে জ্ঞান হারিয়ে পড়লে তাকে পাশের পুকুরে নামিয়ে ধরে রাখেন গোপী সাহা। পরে প্রতিবেশী ও তার মা-বাবা দৌড়ে গিয়ে শিশু হৃদয়কে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়।


গোপী সাহার ছেলে দীলিপ সাহা ঘটনার সত্যতা উম্মোচন করে দিলেও গোপী সাহা বলছেন সাজানো গল্প।
ইউপি সদস্য আবদুর রশিদ বলেন, শিশুর চিকিৎসা খরচা বহন করার কথা বলায় তাকেও অভিযুক্ত করা হয়।
জানতে চাইলে হাজীগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি ইব্রাহীম খলিল বলেন, গোপী সাহার দেয়া অভিযোগের সত্যতা রয়েছে কিনা তা সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করা হবে। পুপলার বিডিনিউজ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর


























