
মৃত চিকিৎসকের সাথে তিন ভুয়া চিকিৎসক মিলে করছেন দাঁতের চিকিৎসা
Link Copied Successfully!

এক ডেন্টাল কেয়ারে চার চিকিৎসক। চারজনেরই চিকিৎসা সেবা দেয়ার কাগজপত্র নেই। একজন দেড় বছর আগে মারা গেছেন। তার নামে এখনও প্রেসক্রিপসন হয়। আরেকজন ফক্সি চিকিৎসক। বাকী দুইজন মৃত ব্যক্তির স্ত্রী ও তার কলেজে পড়ুয়া ছেলে। তারাও নাম লিখেছেন ডেন্টাল চিকিৎসা সেবায়।
বলছিলাম চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কের উত্তরপাশে হাজীগঞ্জ বাজারের মডার্ন ডেন্টাল কেয়ারে চিকিৎসার নামে কাড়িকাড়ি টাকা কামানোর ফন্দির কথা।
শনিবার দুপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখা মিলল এক রোগীর দাঁতের সার্জারি করছেন দন্ত চিকিৎসার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ছাত্র । এই ডেন্টাল কেয়ারের সাইনবোর্ড কিংবা প্রেসক্রিপশনে নেই তার নাম। সাইনবোর্ডে রয়েছে তিন জনের নাম। ডা. মোহাম্মদ আলী , ডা. মাহবুব আলম ও ডা. তাহমিনা আলী।
জানতে চাইলে ডা. মোহাম্মদ আলী দেড় বছর আগে মারা গেছেন বলে জানান স্ত্রী ডা. তাহমিনা আলী। আর ডা. মাহবুব আলমের কাগজপত্র যাচাই করলে তা ঢাকার এক মাহবুব আলমের ঠিকানা পাওয়া যায়। ওই চিকিৎসকের সাথে কথা হয় পপুলার বিডিনিউজের। তিনি বলছেন, তার নাম ভাঙ্গিয়ে হাজীগঞ্জ বাজারে ডেন্টাল চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
ডা. তাহমিনা আলীর কাগজপত্রের তো হযবরল অবস্থা। তিনি বিভিন্ন ব্যক্তি বর্গের সাথে কথা বলতে একাধিকবার অনুরোধ করেন।
এতসব নিয়মবহির্ভূত অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে চলছে হাজীগঞ্জ মডার্ণ ডেন্টাল কেয়ার এর দন্ত চিকিৎসা। যেখানে গত ৩৯ বছর ধরে বেশিরভাগ রোগীরা হয়ে আসছেন প্রতারিত।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা গোলাম মাওলা ও হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম পপুলার বিডিনিউজকে বলেন, মর্ডাণ ডেন্টাল কেয়ারের বিষয়টি শিগগির খতিয়ে দেখা হবে।


























