
ইসলাম নারী জাতিকে উচ্চ মর্যাদা দান করেছে


মাইজভাণ্ডার শরীফের সাজ্জাদানশীন সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী বলেছেন, প্রিয় নবিজী (সা) এর পৃথিবীতে পবিত্র শুভাগমনের পূর্বে নারী জাতির কোন মর্যাদা, অধিকার ছিল না। নারী জাতি ছিল পুরুষদের দাসীতুল্য। ইসলামের আবির্ভাবের সাথে অন্ধকারাচ্ছন্ন সভ্যতায় মানবতার প্রদীপ জ্বলে উঠেছে। প্রিয় নবিজী (দ) নারী জাতিকে অনন্য মর্যাদার আসনে আসীন করেছেন। ইসলাম নারীদের শিক্ষা অর্জনকে আবশ্যক করেছে। ইসলাম বলে, মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত। ইসলাম নারীদের ন্যায্য অধিকার সুরক্ষিত করেছে। বিয়ের সময় নারীদের জন্য মোহরানার বিধান করে দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীদের যথাযথ সম্মান বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ইসলামের জন্য নারী জাতির অবদান অনস্বীকার্য। হযরত মা খাদিজা (রাঃ), হযরত মা ফাতিমা (আঃ), হযরত মা আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) সহ অগণিত রমণী ইসলাম প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী আরো বলেন, প্রিয় নবিজী (দ) এর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়ে মানবজাতি আজ বিপদগ্রস্ত, নারীরা তাদের প্রাপ্য অধিকার ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত। নারীরা পদে পদে নিগৃহীত, নিপীড়িত হচ্ছেন। যৌতুক প্রথা, বাল্য বিবাহ, পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। নারীজাতির সম্মানকে সমুন্নত রাখতে তাদের পরিবার, শিক্ষাক্ষেত্র ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নারীদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। কারণ সুশিক্ষিত মায়েরাই, আলোকিত প্রজন্ম উপহার দিতে পারেন।
৮মার্চ রাতে কুমিল্লার বরুড়াতে খলিফা আলহাজ্ব শাহ্ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম এর ফাতেহা উপলক্ষে আয়োজিত সুন্নী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, মওলানা মুফতি মাকসুদুর রহমান মাইজভাণ্ডারী, খলিফা রুহুল আমিন মাইজভাণ্ডারী, আবুল কালাম মাইজভাণ্ডারী সহ সহানীয় খলিফাবৃন্দ, আঞ্জুমান-এ-রাহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া ও মইনীয়া যুব ফোরামের নেতৃবৃন্দ।
E/N



























