
ছয় মাস পর মালদ্বীপ থেকে দেশে আসছে নূর ইলাহি

প্রবাস কর্মী জনাব নুর ইলাহি বিগত ছয়টি মাস যাবত (TB- Positive) রোগে আক্রান্ত হয়ে মালদ্বীপের রাজধানী মালের (IGMH) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। তার বৈধ কোন মালিকানা না-থাকার কারনে চিকিৎসার ব্যয়বহুল বহন করা অসাধ্যকর হয়ে পরেছে। নুর ইলাহির টাংগাইল জেলার কালিহাতি উপজেলার সাতিহা গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলে। পারিবারিক আর্থিক সচ্ছলতার লক্ষ্যে ২০১৮ সালে মালদ্বীপের কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে আসেন।
৩০ জানুয়ারি রাতে মান্যবর হাইকমিশনার রিয়ার এডমিরাল নাজমুল হাসানের নির্দেশ অনুযায়ী গুরুতর অসুস্থ প্রবাসী নুর ইলাহির অসুস্থতার কথা জেনেই ছুটে গেছেন হাইকমিশনের শ্রম প্রথম সচিব জনাব মোঃ সোহেল পারভেজ। নুর ইলাহির বৈধ কোন কাগজপত্র না থাকায় দেশে যাওয়ার জন্য হাইকমিশনার অফিস থেকে ফ্রি ট্রাভেল পারমিট ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে একটি বিমান টিকিট হস্তান্তর করা হয়।
বিমান টিকিট হস্তান্তর করেন মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম প্রথম সচিব জনাব মোঃ সোহেল পারভেজ এবং দূতাবাসের ওয়েলফেয়ার এসিসটেন্ট আল মামুন পাঠান, এছাড়াও মালদ্বীপ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সেচ্ছাসেবক জনাব এম কে কামাল এর পক্ষ থেকে তাকে সহযোগিতা হিসেবে হাসপাতালে দেখাশুনা ও ঔষধ প্রদান করা হয়।


প্রবাসী কর্মী জনাব নুর ইলাহি “দূতাবাসের স্যার ( শ্রম সচিব ) এসে আমার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২২শে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার দ্রুত ব্যবস্থা করে দেন।
করোনাভাইরাসের এই ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে অসুস্থ প্রবাসীকে দেখতে ছুটে বেড়ানোর বিষয়ে দূতাবাসের শ্রম প্রথম সচিব জনাব মোঃ সোহেল পারভেজ কে জিজ্ঞেস করা হলে ঢাকা২৪ লাইভ এর প্রতিনিধিকে বলেন যে প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের জন্য এতো উদ্যোগ নিচ্ছেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ও সচিব নিয়মিত বিষয়গুলো তদারকি করছেন। সবকিছুই তো প্রবাসীদের কল্যাণে। আমাদেরকে দূতাবাসে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে প্রবাসীদের সেবা করার জন্য। আর অসুস্থ অবস্থায় একজন মানুষ সবচেয়ে বেশি অসহায় থাকেন। তাই এ অসহায় সময়ে তাদের জন্য একুটু তো আমাদের করতেই হবে।
তিনি মালদ্বীপ প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের কোন সমস্যা থাকলে দূতাবাসে জানাবেন। আমাদের কাছে কোন তথ্য আসলে আমরা সেটার সমাধান করবো। কিন্তু অনেকেই দূতাবাসে আসতে চান না। প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের সেবা সব সময় উন্মুক্ত থাকে।




























