
কচুয়ায় সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে হামলা আহত ৩ থানায় জিডি

কচুয়া উপজেলার মালচোয়া গ্রামে সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরে হামলা করে কুপিয়ে ৩জন রক্তাক্ত জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
শনিবার মালচোয়া সিকদার বাড়িতে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহতরা হলেন, সফিক সিকদার (৪৫),স্ত্রী হাসিনা বেগম (৪০) ও ছেলে সজীব হোসেন (২৫)। এ ঘটনায় হাসিনা বেগম বাদী হয়ে ৫জনকে আসামী ও ৪/৫জনকে অজ্ঞাত আসামী করে রবিবার কচুয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। যার নং- ২৯, তারিখ: ২৩.০১.২০২২ইং।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে নিরীহ কৃষক সফিক সিকদার তার নিজস্ব ক্ষেতের আইল দেখতে গেলে তার পথ গতিরোধ করে একই গ্রামের তুহিন তাকে অতর্কিত ভাবে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলে সফিক সিকদার গুরুতর আহত হয়। তার ডাক চিৎকারে সফিক সিকদারের স্ত্রী হাসিনা বেগম ও ছেলে সজীব হোসেন এগিয়ে আসলে তাদেরকেও বেধরক মারধর করে। পরে প্রতিপক্ষ তুহিন সিকদারের ভাই জহিরুল ইসলাম ও বাবা আব্দুল মান্নান এসে নিরীহ সফিক ও স্ত্রী হাসিনা বেগমকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে এবং সফিক সিকদার ও সজীব হোসেনের অবস্থার আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকায় প্রেরন করা হয়েছে। বর্তমানে সফিক সিকদার ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে মুমূর্ষ অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ ঘটনায় কচুয়া থানা ওসি তদন্ত মো. ছানোয়ার হোসেন,এসআই দেলোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।


এ ঘটনায় সোমবার বিকালে স্থানীয় এলাকাবাসী হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করে। এসময় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, আহতের চাচাতো ভাই আলী আজগর,শ্যালক নুর মোহাম্মদ,মোহাম্মদ সাহিজ উদ্দিন,মোশারফ হোসেন,ছেলে সুজন হোসেন,সুমন,মফিজ,আবুল পাটওয়ারী,সাত্তার সিকদার প্রমুখ। বক্তারা বলেন, আব্দুল মান্নান ও তার ছেলে তুহিন,জহিরুল ইসলাম ও লোকমান গংরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে চায় না। এ নিয়ে এলাকায় কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয়। প্রভাবশালী হওয়ায় তারা কোনো বৈঠক মানতে নারাজ। নিরীহ কৃষক সফিক সিকদার ও তার স্ত্রী হাসিনা বেগম ও ছেলে সজীব হোসেনের উপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করায় হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও গ্রেফতারের দাবি জানান।

E/N




























