
ক্রিকেটারদের নিজের চেষ্টা থাকতে হবে, জানতে হবে লক্ষ্যটা কী


একজন ক্রিকেটার নিজেই নিজের পারফরম্যান্সের উন্নতি করতে পারেন। ক্রিকেট বোর্ডের সহযোগিতা থাকবে, উন্নত অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধাও তিনি পেতে পারেন; কিন্তু ক্রিকেটারের নিজেরই যদি একাগ্রতা না থাকে, লক্ষ্য ঠিক করে সে পথে হাঁটার দৃঢ়তা না থাকে, তাহলে কিছুই হবে না—এমনটা মনে করেন মাহমুদউল্লাহ। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক আজ মিরপুরে বিসিবি একাডেমি কাপের উদ্বোধন করতে এসে ক্রিকেটারদের নিজের পরিশ্রমের ওপরই জোর দিয়েছেন।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতলেও সে টুর্নামেন্টে গিয়ে বাংলাদেশের ভরাডুবিই হয়েছে সুপার টুয়েলভে। এরপর দেশের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর টেস্ট সিরিজেও ধবলধোলাই হয়েছে। বিশ্বকাপের পরপরই টি-টোয়েন্টি দলে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন এলেও পারফরম্যান্স বদলায়নি। টেস্ট সিরিজেও অভিষেক হয়েছে দুজনের। তবে ঢাকা টেস্টের অর্ধেকের মতো বৃষ্টির কবলে পড়লেও ইনিংস ব্যবধানেই হেরেছে বাংলাদেশ।
পাকিস্তান সিরিজে দল নির্বাচন নিয়ে পুরোনো প্রশ্ন উঠেছে নতুন করে। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামোতে কোনো খেলোয়াড় জাতীয় দলে পারফর্ম করতে না পেরে বাদ পড়লে তাঁর প্রত্যাবর্তনের গতিপথটা কেমন, সেটিও যেন ঠিক পরিষ্কার নয়। কোনো ক্রিকেটারকে ঠিক কোন পারফরম্যান্সের বিচারে দলে আনা হয় অথবা তাঁকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কেমন, সব সময় স্পষ্ট হয়ে ওঠে না সেসবও। অবশ্য মাহমুদউল্লাহ বলছেন, দিন শেষে ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সটাই সব, ‘ভালো পারফর্ম করলে অবশ্যই আপনি নজরে থাকবেন। আপনাকে শীর্ষ পর্যায়ে খেলার সুযোগ-সুবিধাগুলো দেওয়া হবে।


সূত্রঃ প্রথম আলো
E/N




























