
মায়ের মৃত্যু বার্ষিকীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ


কনকনে শীতের আগমন। বাড়ছে শীত। শীত আসলে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সংগঠনের আয়োজনে কম্বল বিতরণ করতে দেখা মিলে। কিন্তু এবার হাজীগঞ্জ উপজেলার ১১নং হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের পাতানিশ গ্রামে এক প্রবাসী তার মায়ের মৃত্যু বার্ষিকীতে করলেন দেড় শতাধিক কম্বল বিতরণ।
সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, প্রবাসী মো. আবদুল গফুরের মা মুকসুদা বেগম। ১৭ বছর আগে মারা যান তিনি। মায়ের মৃত্যু বার্ষিকীতে এলাকার তিনটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী আনুপাতে কম্বল বিতরণ করা হয়। ওইসময় দুইটি মসজিদে আর্থিক আনুদান প্রদান করা হয়। এছাড়াও পাতানিশ এলাকার সকল মসজিদে জুমার নামাজ শেষে মিলাদ ও দোয়া আনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার দুপুরে পাতানিশ মদিনাতুল উলুম নুরানী মাদ্রাসা, বন্দীশাহী সুন্নিয়া নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা এবং নোয়াপাড়া সুন্নীয়া নুরানীয়া ও হাফেজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। একই দিনে আর্থিক আনুদান পেলো পাতানিশ মসজিদ বাড়ী ও মামুর জামে মসজিদ কর্তৃপক্ষ।


বন্দীশাহী সুন্নিয়া নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাওলানা আবুল হাশেম মিয়াজী। কম্বল বিতরণকালে বিভিন্ন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থী ভর্তি ও দান-আনুদানের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
কম্বল বিতরণকালে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন প্রবাসী মো. আবদুল গফুরের বাবা আলহাজ্জ্ব মো. তাজুল ইসলাম , মিম টেলিকমের মালিক ও ভাই শহীদুল ইসলাম। মাদ্রাসার শিক্ষকমন্ডলীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা জিএম শরীফ, মাওলানা ইকবাল হোসেন আল কাদরী, হাফেজ মোশারফ হোসেন, মাওলানা মিজানুর রহমান ও ফরহাদ। এলাকার সম্মানীত ব্যক্তিবর্গের মাধ্যে এরশাদুল ইসলাম, আবদুল কুদ্দুছ, মো. কামাল হোসেন ও জুলফু পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।


























