
ফেসবুক স্থায়ীভাবে বন্ধ হলে বিশ্ব কি আরও নিরাপদ হবে


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও মেসেঞ্জারের মতো পরিষেবাগুলো ৪ অক্টোবর ছয় ঘণ্টার জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ফেসবুকের জন্য সেদিন ছিল বড় ধরনের বিপর্যয়। তবে পরের দিনই এর চেয়ে আরও বড় ধাক্কা অপেক্ষা করছিল বিশ্বের বৃহৎ এ সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটটির জন্য। পরেই দিনই ৫ অক্টোবর ফেসবুকের সাবেক কর্মী ফ্রান্সেস হাউগেন প্রতিষ্ঠানটির সংস্কৃতি নিয়ে বড় ধরনের বোমা ফাটালেন।
মার্কিন কংগ্রেসের শুনানিতে হাজির হয়ে ফেসবুকের সাবেক কর্মী হাউগেন প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে লুকিয়ে থাকা সব ধরনের শঠতা ও নোংরামির বিষয়টি সামনে আনলেন। বিশ্বের সামনে হাউগেন বললেন, ফেসবুকের মতো ২৭০ কোটির বেশি ব্যবহারকারীর এই সাইটটি মানুষের মধ্যে জেনেবুঝে বাজে খাদ্যাভ্যাসকে প্রচার করছে। এ ছাড়া গণতন্ত্রকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
ফেসবুকের এই হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠছে, এ ধরনের মাধ্যম যদি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়, তবে কি বিশ্ব আরও বেশি সুন্দর স্থান হয়ে উঠবে? যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ এক প্রতিবেদনে এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে।


ফেসবুকের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযোগ হচ্ছে, এখানে ব্যাপকভাবে ভুয়া খবর, অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে। ফেসবুক জেনেবুঝেও তা নিয়ে ব্যবস্থা নেয় না। রাজনীতিবিদেরা এ নিয়ে ক্ষুব্ধ। কিন্তু এখন পর্যন্ত ফেসবুক এ নিয়ে কোনো সমন্বয় করেনি। ইকোনমিস্ট বলছে, ফেসবুক ঘিরে নেতিবাচক খবরের ছড়াছড়ি থাকলেও বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনা অব্যাহত রেখেছেন। তাঁরা মুখ ফিরিয়ে নেননি। কিন্তু এতে ফেসবুকের স্বস্তিতে থাকার অবকাশ নেই। ফেসবুকের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে যে পরিমাণ সমালোচনা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে তাতে এর ওপর আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। এর সম্মান রক্ষার বিষয়টি এখন ফেসবুকের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
সূত্র: প্রথম আলো
E/N



























