
কচুয়ায় আইনগীরিতে মারধর নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের হস্তক্ষেপে গৃহবধু উদ্ধার


কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের আইনগীরি গ্রামের গৃহবধু এক সন্তানের জননী সীমা আক্তার (২৩) কে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগে ।
বৃহস্পতিবার কচুয়া থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে উদ্ধার করা হয়েছ। উদ্ধারের পর গৃহবধু সীমার মা পারভীন বেগম মেয়েকে চিকিৎসার জন্য কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিয়ে যায়। সীমার শরীরে জখমের বিষয়ে জানতে চাইলে জরুরী বিভাগের কর্তৃব্যরত ডাক্তার হামিমা আক্তার জানান, তার ডান হাতের আঙ্গুলে, বাম হাতের কব্জিতে, বামহাঠু,ডান পায়ের কব্জির উপর রক্তাক্ত ক্ষত এবং কোমরের নিছে বাম পাশে জখমসহ শরীলের বিভিন্ন স্থান ফুলে জখমের চিকিৎসা শেষে ঔষুধ লিখে দেয়া হয়েছে।
অভিযোগে প্রকাশ, প্রায় ৪ বছর একই উপজেলার ১২ নং ইউনিয়নের আশ্রাফপুর গ্রামের তাজুল ইসলামের মেয়ে সীমা আক্তারকে আইনগীরি গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে ফরহাদ হোসেন (৩২) সাথে উভয় পরিবারের সম্মতিক্রমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী, শাশুড়ী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সীমাকে শারীরিক ও অমানুষিক ভাবে নির্যাতন করে আসছে। এ নিয়ে বিগত দিনে ঐ এলাকায় ২/৩ বার সালিশও হয়েছে। সর্বশেষ (২৯ সেপ্টেম্বর) বুধবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায় স্বামীসহ পরিবারের লোকজন গৃহবধু সীমাকে বেদম প্রহারের খবর পেয়ে মা পারভীন বেগম মেয়ের বাড়ীতে ছুটে যায়। এদিকে পারভীন বেগম তার মেয়ে সীমাকে গুরুতর অবস্থা দেখে চিকিৎসা জন্য হাসপাতালে নেয়ার চেষ্টা করলে তাকেও মারধর করতে ক্ষিপ্ত হয় তারা। পারভীন বেগম মেয়েকে চিকিৎসার জন্য স্বামীর বাড়ি থেকে আনতে না পেরে উদ্ধারের জন্য এ দিনই সন্ধ্যায় কচুয়া থানায় অভিযোগ করলে সু-যোগ্য অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মহিউদ্দিন এর নির্দেশে এ,এস,আই রামু চন্দ্র রায় সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে সীমা ও তার ৩ বছরের ছেলে সন্তানকে উদ্ধার করে পারভীন বেগমের জিম্বায় তুলে দিলে ঐ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিয়ে চিকিৎসা শেষে সীমা পিত্রালয়ে চলে যায়।


এ দিকে পারভীন ও তার মেয়ে সীমাও অতিরঞ্জিত ভাবে স্বামীসহ শশুর বাড়ীর লোকজনদের সাথে প্রতিনিয়ত ঝগড়া এবং তাদেরকেও মরধর করে আসছে বলে দাবী করেছে। ঘটনাটি এলাকায় মিমাংসার চেষ্টা চলছে।
E/N




























