
পরকীয়ায় সাড়া না দেয়ায় মামলা-হামলার শিকার এক পরিবার


হাজীগঞ্জ উপজেলার ৫নং সদর ইউনিয়নের মাতৈন এলাকায় পরকীয়ায় সাড়া না দেয়ায় মামলা-হামলার ঘটনা ঘটে। এ পর্যন্ত গত দেড় বছরে উভয়পক্ষের তিনটি করে ছয়টি আভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।
ওই গ্রামে সরজমিনে গিয়ে জানাগেছে, সর্বশেষ একটি মামলা দায়ের করেন মাতৈন সর্দার বাড়ীর আইয়ুব আলী সর্দার। তিনি মামলাটি দায়ের করেন চাঁদপুর বিজ্ঞ বিচারক আমলী আদালতে। মামলায় উল্লেখিত গত আগস্ট মাসের দশ তারিখ তার বসত বাড়ীর দক্ষিণ পার্শ্বের চলাচলের রাস্তার উপর দেখানো হয়েছে।
মামলায় ৯ জন স্বাক্ষীর মধ্যে আইয়ুব আলীর পরিবারের লোক ছাড়া বাকীরা সবাই বলছেন, উল্লেখিত তারিখে মারামারির কোন ঘটনাই ঘটেনি।


মামলায় বিবাদীরা হলেন, একই গ্রামের রেহেনা বেগম, তার স্বামী মফিজুল ইসলাম, ছেলে সালাউদ্দিন ও আওলাদ হোসেন।
স্বামী মফিজুল ইসলাম বলছেন, তার স্ত্রীকে নানান ভাবে ফুসলিয়ে একবার তালাকনামা নিয়েছে। তারপর আপোষনামা হয়। আইয়ুব সর্দার নানান ভাবে তার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা-মামলা করে আসছে। সর্বশেষ মামলায় যেই তারিখে দেখানো হয়েছে, ওই তারিখে কোন মারামারি হয়নি। দুই ছেলে ছিল ঢাকায়। বিনা আযুহাতে বড় ছেলেকে হাজতে রাখা হয়েছে।
মামলায় স্বাক্ষীদের মধ্যে মাসুদ সর্দার, হুমায়ুন সর্দার, শাহজাহান পাটোয়ারী ও রহিম সর্দার জানান, গত মাসে দোকানের কাছে বা রাস্তার উপর কোন মারামারি হয়নি।
ঘটনার বিবরণীতে জানা গেছে, ওই মফিজুল ইসলাম ও তার স্ত্রীকে একবার মারধর করেছে আইয়ুব আলী সর্দার। তারপর স্ত্রী রেহেনা বেগমকে ফুসলিয়ে তালাকানামা নেয়। ৪/৫ মাস আগে উভয়পক্ষ আবারও হামলা-মামলা হয়। কোরবানী ঈদের কয়েকদিন পর দোকানের কাছে মফিজুল ইসলাম ও আইয়ুব আলীর মধ্যে হট্রগোল হয়। এসব বিষয় নিয়ে হাজীগঞ্জ থানা পর্যন্ত গড়িয়েছে। সর্বশেষ আইয়ুব আলী সর্দার তার স্ত্রী রহিমা বেগমকে বাদী করে যেই মামলাটি করেছে , তার কোন ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
টানা দুইদিন আইয়ুব আলী সর্দারের বাড়ীতে গিয়ে মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান। তবে তার ছেলে বলছেন, মামলায় উল্লেখিত তারিখে মফিজুল ইসলাম ও তার ছেলেরা তাদেরকে রক্তাক্ত জখম করেছে।
ভুক্তভোগী মফিজুল ইসলাম আইয়ুব আলী সর্দারের কবল থেকে রক্ষা পেতে চান। একই সাথে এলাকাবাসীও চান দুই পরিবারে মধ্যে কয়েকদিন পরপর মামলা-হামলার ঘটনার নিষ্পত্তি।



























