
মামুনুলকে জড়িয়ে জবানবন্দি, নজরদারিতে ১১ মাদ্রাসা


হেফাজতের ডাকা হরতালের মূল উদ্দেশ্যই ছিল তাণ্ডব চালিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করা। এজন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানবাহনে অগ্নিসংযোগ আর ভাংচুর চালাতে দায়িত্ব ভাগাভাগি করে দিয়েছিলেন বিলুপ্ত হেফাজতের সাবেক নেতা মামুনুল হকসহ কেন্দ্রীয় কয়েক নেতা। এমনকি তাণ্ডবে অংশ নিতে বিএনপি-জামায়াতের একটি অংশকেও সম্পৃক্ত করা হয়েছিল এ পরিকল্পনায়।
গত এক দশকে নারায়ণগঞ্জে নিজেদের শক্তিশালী ঘাঁটি তৈরি করতেও সক্ষম হয়েছে হেফাজত। আর এক্ষেত্রে সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে হেফাজতপন্থি ইমামদের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি।
মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি তারা হেফাজতের পক্ষে সমর্থন ও ফান্ড আদায়ের জন্য কাজ করতেন। পুলিশের হাতে গ্রেফতারকৃত হেফাজতের নেতারা রিমান্ডে এমন সব চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা।


এদিকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নারায়ণগঞ্জের হাতে গ্রেফতার হওয়া এক হেফাজত নেতা প্রথমবারের মতো আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
সূত্র: যুগান্তর
H/N




























