
গাণিতিক হিসাবে পুনরায় মেয়র হচ্ছেন নৌকার প্রার্থী লিপন

রাত পোহালেই ভোট। প্রস্তুত ভোটার, প্রস্তুত প্রশাসন। ২০২০ সালে হাজীগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে গাণিতিক হিসাবে পুনরায় পৌর মেয়র হচ্ছেন আ. স. ম. মাহবুব-উল আলম লিপন।
হাজীগঞ্জ পৌরসভা গঠিত হয় ১৯৮৫ সালে। তারপর থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ। ১৯৮৯ সালে প্রথমবারের মতো জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন এডভোকেট তাফাজ্জল হায়দার চৌধুরী। তিনি দায়িত্ব পালন করেন হাজীগঞ্জ পৌরসভার। পরের বছর ভোটে চেয়ারম্যান হন অধ্যাপক আব্দুর রশিদ মজুমদার। ১৯৯৩ সালে পুনরায় তিনি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে হাজীগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে দ্বিতীয়বারের মতো ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯৯ সালে পুনরায় দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট তাফাজ্জল হায়দার চৌধুরী। তারপর ২০০৪ সালে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন আব্দুল মান্নান খান বাচ্চু। তিনি টানা দুইবার নির্বাচিত হন। ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি হাজীগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান ও মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন।


এ পর্যন্ত হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে দুই বার করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন তাফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক আবদুর রশীদ মজুমদার ও আব্দুল মান্নান খান বাচ্চু।
গাণিতিক হিসাবে দেখা গেছে, আ. স.ম. মাহবুব-উল আলম লিপন ২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো মেয়র নির্বাচিত হন। তারপর তিনি দ্বিতীয়বারের মতো এখন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। অতএব গাণিতিক হিসাবমতে দ্বিতীয়বার মেয়র হচ্ছেন আ.স.ম মাহবুব-উল আলম লিপন।
শুধু দুইবারের হিসাবে নয়, টানা দুই বার মেয়র হয়েছেন আবদুল মান্নান খান বাচ্চু। সেই সূত্র ধরেও আ. স. ম মাহবুব-উল আলম লিপন পুনরায় মেয়র হতে পারেন।
জানতে চাইলে পপুলার বিডিনিউজকে আ.স.ম মাহবুব-উল আলম লিপন বলেন, সবাই দুবার হয়েছে। আমিও আশাবাদী দ্বিতীয়বার মেয়র হয়ে জনগণে সেবা করবো। এছাড়াও তিনি বলেন, করোনা সময়ে জনগণের পাশে ছিলাম এবং জনগনের সাথে মিলেমিশে কাজ করার চেষ্টা করেছি।
শনিবার সকাল আট থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হতে যাচ্ছে। ৪৫ হাজার ৩ শ ৪৮ জন ভোটারের হিসাব-নিকাশে কে হচ্ছেন মেয়র? সেই চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষার পালা। মেয়র হচ্ছেন কি বর্তমান নাকি সাবেক ? চোখ রাখুন পপুলার বিডিনিউজ -এ


























