
হাজীগঞ্জে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ : বাসে হামলা : ককটেল বিস্ফোরন


অবরোধের প্রথম দিনে হাজীগঞ্জ উপজেলার সেন্দ্রা বাজারে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি সহ তিনজন আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল নয়টার সময় হাজীগঞ্জ রামগঞ্জ সড়কের সেন্দ্রা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় বিএনপি- আওয়ামী লীগের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন মুন্সী, আওয়ামী লীগ নেতা আহসান হাবীব সহ তিনজন আহত হয়েছে।
এ সময় হাজীগঞ্জ থানা পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। স্থানীয়রা জানায়, সকাল ৯ টার দিকে বিএনপি কর্মীরা হাজীগঞ্জ- রামগঞ্জ সড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা মিছিল পিকিং করে। এক পর্যায়ে যানবাহন বন্ধ হয়ে যায়। তারপর স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরাও তা প্রতিরোধ করতে আসে। এরই মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ তৈরি হয়। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। দুপুর সাড়ে ১২টায় অবরোধকারীরা হাজীগঞ্জ কচুয়া সড়কে সুরমা বাস ভাঙচুর করে। পুলিশ আসার টের পেয়ে অবরোধকরিরা পালিয়ে যায়।


এ সময় একটি সিএনজিও ভাংচুর করা হয়। একই সময় হাজীগঞ্জ বাজারের সোনালী ব্যাংকের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এ সময় ক্রেতা বিক্রেতা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তারপর পরেই হাজিগঞ্জ বাজারে বিজেবির টহল দিতে দেখা গেছে। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেটসহ একটি টিম হাজীগঞ্জ বাজার এলাকায় দেখা গেছে।
এদিকে নাশকতা এড়াতে গত ২৪ ঘন্টায় হাজীগঞ্জে ৯ জনকে বিএনপি নেতা কর্মীকে আটক করেছে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ। হাজীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রশিদ জানান, নাশকতা এড়াতে ৯ বিএনপি নেতা কর্মী কে আটক করা হয়। আটককৃতরা হচ্ছে হাজীগঞ্জ পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম ভুট্টু, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেন দুলাল, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আরাদিন লারা, যুবদল নেতা শাহ আলম ও ইমাম হোসেন সহ ৯ জন । তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ২ টায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাজীগঞ্জ উপজেলার আর কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।








