
নিরুপায় প্রবাসীর ঘরে আশ্রয় নেয়া দম্পতি
সাত হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে শিশু মুসার, সাহায্য প্রয়োজন
শিশু মুসাকে সাহায্য পাঠাতে তার বাবার বিকাশ নম্বর : ০১৬১২ ৭৮৬৮৩০ -- পপুলার বিডিনিউজ 
সাত হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে শিশু মুসার, নিরুপায় প্রবাসীর ঘরে আশ্রয় নেয়া দম্পতি
হোসেন বেপারীর তথ্যচিত্রে বিস্তারিত জানাচ্ছি আমি সাদিকা সীমা
হার্টে ছিদ্র, মাথার ব্রেইনে পানি শুকিয়ে আসা, কানে কম শুনা, চোখের দৃষ্টি শক্তি কম- সব রোগ পাঁচ মাস বয়সী শিশু মুসার। এছাড়াও শারিরিক আরো সমস্যা নিয়ে বেড়ে উঠা মুসার চিকিৎসা সেবা নিয়ে হিমশিমে পড়েছে দরিদ্র মা-বাবা। একেএকে দেশের সাতটি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা চলছে এই শিশুর।
শিশুর বাবা চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৫নং সদর ইউনিয়নের সুদিয়া খন্দকার বাড়ির দিনমজুর রুহুল আমিন। পৈতৃক কোনো সম্পত্তি না থাকায় আশ্রয় নেয় একই গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির সুইডেন প্রবাসী মাঈনুদ্দিন পাটোয়ারীর ঘরে।


২০১৬ সালে পার্শ্ববর্তী গ্রামের তানিয়া বেগমকে বিয়ে করেন রুহুল আমিন। দীর্ঘ ৯ বছর ধরে প্রবাসীর বাড়ী পাহারায় কাটছে দিনক্ষণ। দুই ছেলে সন্তানের মধ্যে বড় ছেলেকে মাদ্রাসায় দিয়েছে।
বাবা রুহুল আমিন বলেন, মুসা জন্মের পর থেকে একাধিক রোগে আক্রান্ত। তাকে নিয়ে চাঁদপুর সদর হাসপাতাল, বাংলাদেশে শিশু হাসপাতাল, জাতীয় নাক, কান গলা ইনিস্ট্রিটিউট, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনিস্ট্রিটিউট ও হাসপাতাল, পপুলার ডায়াগণস্ট্রিক সেন্টার, নিউরো সাইন্স হাসপাতাল সহ প্রায় সাতটি হাসপাতাল দেখানো হয়েছে।
মা তানিয়া আক্তার বলেন, গর্ভধারনের সাত মাস পর শিশু আহমেদ মুসার জন্ম হয়। জন্মের পর সর্দি-কাশি হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় এসব রোগ ধরা পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমান মজুমদার, হাসানুজ্জআমান ঝুনুন, মো. শাহ আলম মজুমদার ও দেলোয়ার মারোয়ান জানান, জন্মের পর থেকে বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন শিশু আহমেদ মুসা। পারিবারিক অসচ্ছলতার কারনে চিকিৎসা খরচ জোগাড় করতে হিমশিমে পড়তে হয়। ওই সময় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তারা।
শিশু মুসাকে সাহায্য পাঠাতে তার বাবার বিকাশ নম্বর : ০১৬১২ ৭৮৬৮৩০
পপুলার বিডিনিউজ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর

























