
কুমিল্লায় অর্ধলক্ষাধিক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কা


কুমিল্লায় অর্ধলক্ষাধিক শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। করোনার মহামারিতে দেড় বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আজ থেকে খুলেছে বিদ্যালয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও শিক্ষার্থীরা অনলাইন কিংবা মোবাইল ফোনসহ অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের সঙ্গে নানাভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে আসছিল। কিন্তু জেলার প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষার্থী শিক্ষক এবং বিদ্যালয় থেকে একেবারেই বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে সংশ্লিস্ট সুত্রে জানা গেছে। এসব শিক্ষার্থীরা আদৌ বিদ্যালয়ে ফিরবে কিনা এ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসে দেশের বহু পরিবার দারিদ্রসীমার নিচে চলে গেছে। আর ওইসব পরিবারের শিক্ষার্থীরা পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে শিক্ষা ছেড়ে কাজে যোগদান করেছে।
সম্প্রতি বেসরকারি একটি সংস্থার জরিপে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতির চিত্র উঠে এসেছে। গ্রামীণ পর্যায়ে জরিপ এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া পাঁচশতাধিক কিন্ডারগার্টেনে খোঁজ নিলে এর সংখ্যা আরো অনেক বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তাছাড়া বেশ কিছু মেয়েশিশুকে লকডাউনের মধ্যেই তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাল্যবিয়ে দিয়েছে পরিবার।


এদিকে করোনার কারণে জেলার পাঁচশ’ কিন্ডারগার্টেন স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী এখন লেখাপড়া ছেড়ে দিয়েছে।
সুত্র বলছে, শিক্ষা সচেতন কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬ হাজার শিক্ষার্থীর কোনো হদিস মিলছে না। এসব শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। আদৌ এসব শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে ফিরবে কি না এ নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে।
E/N



























