
হাজীগঞ্জে পড়ালেখার পরামর্শ নিতে গিয়ে চাচার কাছে ধর্ষিত স্কুলছাত্রী


‘ভাবী আপনার মেয়েকে পড়াশোনা নিয়ে এতো পরামর্শ দেই, তবুও বাবা ডাকে না।’- ঢাকা থেকে এসে এভাবেই স্কুলছাত্রীর মাকে বলল ধর্ষক।
সেই ভাবির চোখেই পরদিন ধরাশায়ী নিজের মেয়ে ও চতুর ধর্ষক।
ঘটনাটি হাজীগঞ্জ পৌরসভার বদরপুর গ্রামের মিজি বাড়ীতে। ধর্ষক ওই বাড়ীর সেফায়েত উল্ল্যাহ’র বড় ছেলে ইকবাল। ধর্ষণের দায়ে এখন জেলহাজতে এই ইকবাল।


জানা গেছে, ধর্ষক ইকবাল অর্নাস শেষ বর্ষের ছাত্র।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ইকবাল সম্পর্কে ‘র’ এর চাচা হয়। পঞ্চম শ্রেণী থেকে ‘র’ কে পাইভেট পড়াতো। সেই ‘র’ এখন নবম শ্রেণির ছাত্রী।
ঘটনার আগের দিন ইকবাল ঢাকা থেকে নিজ বাড়ীতে আসে। শুক্রবার ২৯জানুয়ারি সকাল দশ’টায় পাঠ্য বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ দিবে বলে ‘র’ কে বাসায় ডেকে নেয়। কিছুক্ষণ পর ‘র’ এর মা গিয়ে দেখেন ইকবাল ও মেয়েকে আপত্তিকর অবস্থায় । পরে ইকবালকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
ওই শিক্ষার্থীর মা পপুলার বিডিনিউজকে জানান, জেলহাজতে যাওয়ার পর ইকবাল এখন আমাদের ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে। ইকবালের কাছে মেয়ে বিয়ে দিতে প্রস্তাব দিচ্ছে। ইকবাল সম্পর্কে আমার দেবর হয়। পঞ্চম শ্রেণী থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত ইকবালের কাছে পাইভেট পড়তো। ইকবাল মেয়ের চাচা হয়ে, এমন কাজ করবে তা কোনদিন ভাবিনি। আমার মেয়ের যে সর্বনাশ করেছে, আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
এদিকে ইকবালের মা পপুলার বিডিনিউজকে জানান, ঘটনার দিন মেয়েটি সকাল সাতটায় আমার বাসায় আসে। বিষয়টি না জানাজানি করার জন্য বলেছি। প্রয়োজনে আমার ছেলের সাথে মেয়েকে বিয়ে দেয়ার জন্য প্রস্তাব রেখেছি। ঘটনাটি যখন মেয়ের মায়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে তখন আমাকে জানাতে পারতো। তিনি তা না করে আমার ছেলেকে বাসায় ডেকে নিয়ে আটকে রেখে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এখন আমার ছেলের ভাগ্যে যা আছে তাই হবে।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানা তদন্ত কর্মকর্তা আবদুর রশিদ পপুলার বিডিনিউজকে বলেন, একটি ধর্ষণ মামলায় ছেলে ইকবালকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। সেখান থেকে আদালত জেলহাজতে পাঠায়।

























