
হাজীগঞ্জ ৯০ লাখ টাকা অগ্রিম নেওয়ার পরও দোকান বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দোকান মালিক আতাউলের বিরুদ্ধে


চাঁদপুরের বাণিজ্যিক শহর হাজীগঞ্জ মধ্যবাজারে দোকান ভাড়া দেওয়ার কথা বলে ৬টি চেকের মাধ্যমে ৯০ লাখ টাকা অগ্রিম নেওয়ার পরও প্রায় ১০ মাসেও দোকান বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দোকান মালিক আতাউলের বিরুদ্ধে।
জানা যায়, হাজীগঞ্জ মধ্যবাজারের হোটেল পট্টির পূর্ব পাশে সোনালী ব্যাংকের নিচতলায় অবস্থিত দোকানটি ভাড়া নেওয়ার জন্য মো. সবুজ, মো. কাদের, ফায়জুল ইসলাম, মো. রাসেল ও হাসিবের সঙ্গে দোকান মালিক আতাউলের ভাড়া চুক্তিপত্র সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী ৬টি চেকের মাধ্যমে মোট ৯০ লাখ টাকা অগ্রিম প্রদান করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন চুক্তিকারীরা।
চুক্তিকারীদের দাবি, ভাড়া চুক্তিপত্র সম্পাদনের ৩ দিনের মধ্যে দোকানটি বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু চুক্তির পর প্রায় ১০ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো দোকানটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
এবিষয়ে মো.কাদের বলেন-আমরা ভাড়া চুক্তিপত্র অনুযায়ী ৬টি চেকের মাধ্যমে ৯০ লাখ টাকা দিয়েছি। ৩ দিনের মধ্যে দোকান বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও ১০ মাস হয়ে গেছে, এখনো দোকান বুঝে পাইনি। আমাদের দাবি—হয় দোকানটি বুঝিয়ে দেওয়া হোক, নয়তো আমাদের দেওয়া পুরো টাকা ফেরত দেওয়া হোক।


জানা গেছে-দোকানটির পূর্বের ভাড়াটিয়ার সঙ্গে ভাড়া চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও তাদের দেওয়া অগ্রিমের টাকা এখনো পরিশোধ করা হয়নি। এ কারণে দোকানটি বুঝিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে দোকান মালিক আতাউলের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চুক্তিকারীরা দ্রুত বিষয়টির সমাধান করে চুক্তি অনুযায়ী দোকান বুঝিয়ে দেওয়া অথবা ৯০ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


























