চাঁদপুরের সম্ভাব্য রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল- ‘ইপিজেড’ হাজীগঞ্জে স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন হাজীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র প্রার্থী সাংবাদিক ও সংগঠক জাকির মজুমদার। আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও আশেপাশের জেলার মধ্যবর্তী অঞ্চল হওয়ায় সম্ভাব্য ইপিজেড হাজীগঞ্জে স্থাপন করাই বাস্তসম্মত হবে বলে মনে করেন তিনি।
মেয়র প্রার্থী জাকির মজুমদার ফেসবুকে পোস্টে লিখেন, চাঁদপুরে ইপিজেড (Export Processing Zone, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) স্থাপনে সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্তৃপক্ষগুলোর প্রতি নির্দেশনা এসেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে। আলহামদুলিল্লাহ।
প্রধানমন্ত্রীর চাঁদপুর সফরের পরই ইপিজেড স্থাপনে তাঁর এই নির্দেশনাকে চাঁদপুরবাসী হিসেবে স্বাগত জানাই। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপণ করছি।
তিনি বলেন, চাঁদপুর জেলার মধ্যে হাজীগঞ্জের অবস্থান মধ্যাঞ্চলে। যাকে চাঁদপুর জেলার প্রাণকেন্দ্র এবং জেলার বাণিজ্যিক রাজধানীও বলা হয়।
মতলব দক্ষিণ ও হাইমচর উপজেলা ব্যতিত বাকি ৬টি উপজেলা হাজীগঞ্জের চারপাশ ঘিরে। শুধু তাই নয়, হাজীগঞ্জের সঙ্গে কুমিল্লা, ফেনি, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর জেলার চতুর্মূখী যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। এই জেলাগুলোর সঙ্গে হাজীগঞ্জের দূরত্ব অনেকটা কম।
এই মেয়র প্রার্থী আরও লিখেন, ঢাকা এবং চট্টগ্রাম থেকে হাজীগঞ্জের যাতায়াত ব্যবস্থাও সহজ এবং কম সময়ের দূরত্ব। সড়ক পথ, রেলপথ ও নদীপথ তিনটি মাধ্যমেই হাজীগঞ্জের সঙ্গে উল্লেখিত অঞ্চলের শক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে।
যোগাযোগ ও যাতায়াত বিষয়টি মাথায় রেখে এবং শুধু চাঁদপুর জেলা নয়, হাজীগঞ্জের সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লা, ফেনি, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের চতুর্মূখি আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়কসহ রেল এবং নদীপথ বিবেচনায় রেখে হাজীগঞ্জেই ‘সম্ভাব্য ইপিজেড স্থাপন’ করা যেতে পারে।
তিনি বলেন, উল্লেখিত যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে চাঁদপুরের সম্ভাব্য ইপিজেডটি যেনো হাজীগঞ্জে স্থাপন করা হয় এজন্য আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, শিল্প মন্ত্রণালয়, বিভগীয় কমিশনার ও চাঁদপুর জেলা প্রশাসনসহ চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের মাননীয় এমপি মহোদয়ের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।
জাকির মজুমদার বলেন, আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি ও চতুর্মুখি যোগাযোগ ব্যবস্থার বাস্তবতায় সম্ভাব্য ইপিজেড হাজীগঞ্জে স্থাপন হওয়াটাই মুলত বাস্তবসম্মত বলে আমরা মনে করি।