POPULAR BD NEWS
Popular BD News Logo

মনিরের বাসা থেকে ৬শ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার

পপুলার বিডিনিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: নভেম্বর ২১, ২০২০ | সময়: ৩:২৫ অপরাহ্ণ

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় ব্যবসায়ী মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৮ কেজি স্বর্ণ, ১ কোটি ৯ লাখ নগদ টাকা, ১০ দেশের মুদ্রা, ৫টি বিলাসবহুল গাড়ি এবং মাদক-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‌্যাব।

শনিবার (২১ নভেম্বর) অভিযান শেষে মেরুল বাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্টের ১১ নম্বর সড়কে গোল্ডেন মনিরের বাসার সামনে ব্রিফিং করে বিস্তারিত জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ।  সকালে অভিযানকালীন সময়ে গোল্ডেন মনিরকে নিজ বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

এর আগে শুক্রবার (২০ নভেম্বর) রাত ১০টা থেকে গোল্ডেন মনিরের বাসা, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু নেতৃত্বে অভিযান শুরু করে র‌্যাব।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, মূল অভিযুক্ত মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনির মূলত একজন হুন্ডি ব্যবসায়ী, স্বর্ণ চোরাকারবারি এবং ভূমির দালাল। তার একটি অটোকার সিলেকশন আছে, অর্থাৎ একটি গাড়ির শোরুমের সত্বাধিকারী। এছাড়া তার গাউছিয়ায় একটি স্বর্ণের দোকানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে।

তিনি আরও জানান, তার কাছ থেকে দুইটি বিলাসবহুল অনুমোদনবিহীন বিদেশি গাড়ি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। যার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা করে। এছাড়া শোরুম থেকে ৩টি বিলাসবহুল অনুমোদনবিহীন গাড়ি জব্দ করেছি।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত গোল্ডেন মনির নব্বই দশকে গাউছিয়ায় একটি কাপড়ের দোকানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন। এরপর ক্রোকারিজের ব্যবসা, লাগেজ ব্যবসা- অর্থাৎ ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে মালামাল দেশে আনতেন। একপর্যায়ে স্বর্ণ চোরাকারবারের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন। বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ তিনি বিদেশ থেকে নিয়ে এসেছেন। তার স্বর্ণ চোরাকারবারির রুট ছিল ঢাকা-সিঙ্গাপুর-ভারত। এই সকল দেশ থেকে ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ বাংলাদেশে আমদানি করতেন। যার ফলশ্রুতিতে তার নাম হয় গোল্ডেন মনির।

তার ভূমিদস্যু পরিচয় তুলে ধরে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, স্বর্ণ চোরাকারবারির জন্য তার বিরুদ্ধে ২০০৭ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়। গোল্ডেন মনিরের আরেকটি পরিচয় আছে তিনি ভূমিদস্যু। রাজউকের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন। ঢাকার শহরের ডিআইটি প্রোজেক্ট, বাড্ডা, নিকুঞ্জ, উত্তরা এবং কেরানিগঞ্জে তার ২০০’ র বেশি প্লট আছে বলে আমরা জানত পেরেছি। ইতিমধ্যে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ৩০টি প্লট রয়েছে বলে স্বীকার করেছে। তার মোট সম্পদের পরিমাণ এক হাজার ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে। প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে আরও বেশি কিছু অভিযোগ পেয়েছি।

তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত করার জন্য র‌্যাব দুদক, বিঅ্যাপটি, সিআইডি এবং এনবিআরকে অনুরোধ জানাবে। এখন ফৌজদারি অপরাধ অনুমোদনেবিহীন বিদেশি মুদ্রা রাখার কারণে বাড্ডা থানায় র‌্যাব মামলা করবে। এছাড়া মাদক ও অস্ত্র আইনেও র‌্যাব মামলা করবে বলে জানান তিনি।

 

পপুলার বিডিনিউজ | বস্তুনিষ্ঠতা প্রকাশে দুরন্ত
কার্যালয়: কেনাকাটা মার্কেট, ৪র্থ তলা, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
নিউজ ও বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৬-৪৬৯৫০৫ | ইমেইল: newspopular2020@gmail.com

© 2026 পপুলার বিডিনিউজ — অনুমতি ছাড়া লেখা/ছবি/ভিডিও ব্যবহার বেআইনি
প্রিন্ট করুন